রবীন্দ্রনাথ
দীননাথ চক্রবর্তী
এক প্রকার চলেই যাচ্ছিলাম
পিছন ফিরে
সকলের কাছ থেকে
সত্যি বলতে কি
নিজের কাছ থেকেও
নীরব অভিমানে ।
ধূ ধূ করছে প্রান্তর
শুধুই সাহারা থর গোবি
ক্লিষ্ট আগুন
উপুড় হয়ে শুয়ে তপ্ত ক্লান্তি
তবু আগুন থেকে বৃষ্টি এলো যখন
সঙ্গে নিয়ে আমার রবীন্দ্রনাথ ।
বৃষ্টি ভেজা কণ্ঠখানি
তাকায় টল চোখে
দুচোখেতে কথার পাহাড়
হীম শীতল
হেনার ছেড়ে যাওয়া
ফুল হয়েছে আজ
ভিজে শরীর
বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে
সঙ্গে নিয়ে আমার রবীন্দ্রনাথ ।
সবাই ছেড়ে চলে গেছে
দিনের রাতের স্বপন
ছেঁড়া মেঘ ভিজে আলো
ছায়াঘন পদ্মপুকুরের ঘাট
কৃষ্ণচূড়ার রাঙা আবেগ
ই মেলে আসা চিঠি
তবু আমি ছিলাম বেঁচে
মায়ের বুকের তাপে
হঠাৎ সেদিন মাও গেল চলে
আকাশ ভাঙলো মাথায়
এখন দেখি আঁচলগঙ্গা
সঙ্গে নিয়ে আমার রবীন্দ্রনাথ ।
এক হাতে তার ফুলের ডালি
অপর হাতে মৃত্যু সুধা কারণ
কণ্ঠে যে তার জীবন বীণার
পূর্ণ সুরের মাতন
অঙ্গ জুড়ে তপন জ্যোতি
আঁধার কোনে কোনে
পালিয়ে আমি যাব কোথায়?
সামনে দাঁড়ায় আমার রবীন্দ্রনাথ ।
—oooXXooo—
![]()







