পাঁঠা
প্রজ্ঞা পারিজাত
মধু কোচিং সেন্টারে বোকা পাঁঠা নিয়ে ঢুকল । সবাই কোচিংয়ে খাতা বই নিয়ে ঢুকছে । মধু বলল ,- “কোচিং সেন্টারে সব পাঁঠাদের দলই ভর্তি হয় । এক একটা গবেট ।” পাঁঠার গলায় দড়ি বাঁধা । পাঁঠার গলার দড়ি নাড়িয়ে মধু বলল পাঁঠাকে ,- ” তোর মাথায় যত বুদ্ধি আছে , কোচিংয়ের পাঁঠাদের মাথায় এতো বুদ্ধি নেই “। ভূতনাথ অংকের স্যার , অংক যেই করাতে শুরু করলেন , তখনই ছাগলটা ব্যা – ব্যা করে ডেকে উঠল । ভূতনাথ স্যার রেগে ফায়ার হয়ে গেলেন । সব ছাত্রদেরকে মারার জন্য হাতে স্কেল নিলেন। তখন মধু জোরে ছাগলটাকে গুঁতো দিল । ছাগলটা আরও জোড়ে ডেকে উঠল, ব্যা …… ব্যা……. করে । তারপর ভূতনাথ স্যার অংক বাদ দিয়ে কে ছাগলের মতো ডাকছে, বোঝার চেষ্টা করলেন । যদু তখনই বলে উঠল , – ” অন্য কোচিংয়ের পাঁঠা ভুল করে আমাদের কোচিংয়ে ঢুকে পড়েছে স্যার ” । তারপর ভূতনাথ স্যার পাঁঠা বেঞ্চের তলায় খুঁজে পেয়ে , যেই মারতে গেলেন , শ্যাম ভূতনাথ স্যারের কোলে পাঁঠা দিয়ে দিল । ভূতনাথ স্যারের আগুন রাগে – জল পড়ে গেল । স্যার পাঁঠাটাকে খুব আদর করলো । কোচিং সেন্টারের সব পাঁঠাদের পিঠ বেঁচে গেল ।
মধু বললো,- ” মা কালী পাঁঠা পেলে খুশি থাকে , আর ভূতনাথ স্যার তো মানুষ। পাঁঠা পেলে তো খুঁশি হবেনই “।
ভূতনাথ স্যারের কোচিং সেন্টারে পাঁঠাদের রমরমা ভীড়, দেখার মতো ।।
—oooXXooo—
![]()







