বৈশাখী শুভেচ্ছা
সুপর্ণা দত্ত
চৈত্রের পরে বৈশাখ মাস আসে
কবি ডাকে তারে “এসো হে বৈশাখ” গানে,
আম্র মুকুল ভরে যায় আমের শাখে শাখে
সজনের ডাল নুয়ে পড়ে তার ডাঁটার ভারে।
বাবুই,বুলবুলি,চড়ুই,টুনটুনি,শালিক,টিয়া
গাছের ডালে ডালে বাসা বাঁধে খড়-কুটো দিয়া,
ঘন মেঘে মাঝে মাঝে ঢেকে যায় আকাশ
কালো মেঘ বয়ে আনে কালবোশেখীর আভাস।
বঙ্গাব্দের প্রথম মাসে গ্রীষ্মের হয় সূচনা
কবির ভাষায় হয়েছে বৈশাখী প্রকৃতির বর্ণনা,
রবি তাপ দহনে মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির
কালবৈশাখী ঝড় প্রচন্ড গরমে সাময়িক স্বস্তির।
বাঙালীর সবচেয়ে বড় উৎসব পহেলা বৈশাখ
বাংলা নববর্ষে পরিধান করি নতুন পোশাক,
পুরানো হিসাব চুকিয়ে ব্যবসায় হয় হালখাতা
বৈশাখী মেলার আয়োজন বাংলার গৌরব গাঁথা।
দুর্নীতি আর দুর্মূল্যের বাজারে জীবন দুর্বিসহ
জাতের নামে বজ্জাতি আজ বাড়ছে অহরহ,
নতুন বছরে ভগবানের দ্বারে প্রার্থনা করি একটাই
হিংসা-বিদ্বেষ-দুর্নীতি দূরে ঠেলে আজ এক হোক ভাই-ভাই।
—oooXXooo—
![]()







