মসগুল রবি গল্পের মৌতাতে
শ্রী নীলকান্ত মণি
ব্র্যাভো! দারুন হয়েছে৷
সুন্দর৷ রচণা এ মজাদার৷
আনন্দ ভাণ্ডার৷
অন্তর গেলো ভরে৷
পড়ার পর
এ মন আমার
হেসে নিলো একচোট
আপনা থেকেই সরস মাধুরী টানে,
পূর্ণ পুলক জেগে ওঠে তাই প্রাণে!
আনন্দ নির্মল৷
তুই যকপুর আমি কলকাতা
পরস্পর
দূরত্ব থাকলেও
কী এক যাদু বলে
মুহূর্তে তা ঘুচিয়ে দিলো
নিমেষেহত একটি নিমেষ
বুকের কাছে আনলো টেনে দোঁহে,
সে আয়াসে বদ্ধ হলো তারা প্রাণের আলিঙ্গনে৷
অবশ্যই তা মনে মনে৷
সে আনন্দ ভাগ পৌঁছে দিতেই হবে
যথাস্থানে৷
আশ্রয় হোয়াসঅ্যাপ৷
তার বুক তো পাতাই ছিলো৷ বললাম
ভুল করিস না যেন
গল্প হলেও গল্পের বাপ ব্যাটা
দুজনেই বেঁচে আছে!
অমনি সে, বড় বড় চোখ মেলে
তাকালো আমার দিকে৷ ভাবখানা এই,–
ও তাই বলো৷
আমি বললাম, কি ভেবে ছিলি তুই!
ওরা তো নেই, আনন্দের ভাগ তবে
পৌঁছে দিবি কাকে!
কাকে আবার, ঐ গল্পের যে লেখক, তাকে৷
সে তো বেঁচে আছে৷ না হলে
এতোটা পথ বেয়ে আনলি যে গল্পটা
তা লিখলো কে!
হোয়াসঅ্যাপ মাথা নাড়ে৷
আমি একা যাবো নাকি!
একা যাবি কেন৷ এই লেখাটা তো
তোর সঙ্গেই যাবে৷ এর সাথে
থাকবো আমিও, তবে ছায়াসাথী হয়ে৷
না হলে তো, পাঠানো এ চিঠি কার
তোকে তার উত্তর দিতে হবে,
অন্ততঃ আবভাবে!
হোয়াসঅ্যাপের পাতা উসখুস করে৷
বললাম,
তোর এতো ভয় কেন৷
আমি তো আছিই৷ তা ছাড়া
এই চিঠি, থাকবে তো সেও৷ যেখানে,
যে পথেই যা না কেন, চেনা বা অচেনা
সাথী থাকবেই, যে কোন৷
তুই দূত৷ দূত অ-বধ্য৷
পথের বন্ধু পথ৷ চলতে চলতে
ভাব হয়ে যাবে তার সাথে
তখন কি তোর
নিজেকে আর একলা মনে হবে৷
মসগুল রবি গল্পের মৌতাতে৷
—oooXXooo—
![]()







