“স্পর্শাতুর গান”
অরবিন্দ নাহা
তোমার কন্ঠের একটা গান
স্পর্শ করা সম্পর্কে
তুমি আমায় স্পর্শ করো–আমি তোমায়।
আমরা স্পর্শাতুর হই পরস্পর
আর সেখান থেকে সৃষ্টি হয়
একটি কালজয়ী গান।
সে গানে রয়েছে আরোগ্যের স্পর্শ
যা একজন রোগীকে দেয় প্রাণ।
আমরা বাঁচবো কি করে
যদি আমরা একে অপরকে
শরীর নয়
মন দিয়ে স্পর্শ না করি ?
কেউ কেউ স্পর্শ ব্যাপারটা এড়িয়ে যায়
কেউবা সহজেই স্পর্শাতুর হয় ।
কারো ক্ষেত্রে স্পর্শ করা
ব্যাপারটা অনভিপ্রেত,
তুমি প্রায়ই স্পর্শাতুর হয়ে পড়ো
তুমি-আমি এখন স্পর্শাতুর হই।
হাতে হাত রেখে নয়,
শারীরিকউষ্ণতায়
ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় ;
যারা আসবে-তারা
একই সঙ্গে গাইবে
জীবনের জয়গান।
![]()







