প্রভাতী ভ্রমণে রোজানা কতো কি দেখি!
শব্দে সাজিয়ে মালা গেঁথে লেখালেখি!!
প্রেমাঙ্কুর মালাকার
স্টেশন বিরাটী ঠিক পেছনেই,
“কবিগুরু উদ্যান”-
ছ’খানা বকুল, পলাশ ও ঝাউ,
বাগানে দৃশ্যমান।
স্টেশন ছাড়িয়ে সে পথ ধরেই,
একটু এগিয়ে গেলে-
অধুনা বাঁধানো খালপাড় জুড়ে,
কতোনা দোকান মেলে।
রাস্তার পাশে সারিসারি ‘চার’,
কাঠ বাদামের গাছে-
আজকাল দেখি শাখায় শাখায়,
কতো ফল ধরে আছে।
গাছে পাতা গুলো বড়ো আকারের,
গোলাটে অগ্রভাগ;
ঝরার সময় পাতা পেকে যায়,
ঈষৎ লালচে দাগ।
“পর্ণমোচী”না কাঠ বাদামের,
বৃক্ষ “চিরহরিৎ”
ঘনপল্লবে তরুছায়া দেয়,
গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত।
পথের পাশেই তাইতো লাগায়,
গাছকে কাঠবাদাম!
বেলঘড়িয়ায় গাছ নেই আছে,
“বাদামতলা”র নাম।
অশোকনগরে নৈহাটি রোডে,
স্টপেজ বাদামতলা-
গাছ বেঁচে নেই! কালের গর্ভে,
তার শেষ পথচলা।
এই বঙ্গের উত্তরে আছে,
জনপদ অঞ্চল;
‘গুড়ি’ আর ‘বাড়ি’ জুড়েই সেখানে,
নামকরণের চল।
—oooXXooo—
![]()







