নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, নিউজ ব্যুরো আমার আলো হিরণ ঘোষাল: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘জ্ঞান ভারতম মিশন’ এবং তার সাথে যুক্ত একটি নতুন পোর্টালের উদ্বোধন দেশের প্রাচীন সাংস্কৃতিক এবং বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্যকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ভারতের এক কোটিরও বেশি পাণ্ডুলিপিকে ডিজিটাল রূপ দিয়ে সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ ঐতিহাসিক এবং তাৎপর্যপূর্ণ।
মিশনের প্রধান লক্ষ্য:
- ঐতিহ্যের ডিজিটাল সংরক্ষণ: এই মিশনের প্রধান লক্ষ্য হল ভারতের বিশাল পাণ্ডুলিপি সংগ্রহকে সুরক্ষিত এবং সংরক্ষণ করা। ভিডিওটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের অধিকারী, যেখানে প্রায় এক কোটিরও বেশি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এই মিশন পাণ্ডুলিপিগুলোকে শুধুমাত্র সংরক্ষণই নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সেগুলোকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে।
- প্রাচীন জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তি: প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন যে ভারতের জ্ঞান-ঐতিহ্য চারটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে গঠিত: সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, সংযোজন এবং অভিযোজন। এই মিশনটি ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানকে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে নতুন গবেষণার পথ খুলে দেবে। এর ফলে প্রাচীন জ্ঞানকে বর্তমান সময়ের উপযোগী করে ব্যবহার করা যাবে এবং ‘বৌদ্ধিক চুরি’ বা Intellectual Piracy প্রতিরোধ করা যাবে।
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: শুধুমাত্র দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, এই মিশনটি আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রসার ঘটাচ্ছে। ভিডিওতে মোঙ্গোলিয়ান কাঞ্জুর-এর মতো পাণ্ডুলিপির পুনর্মুদ্রিত সংস্করণ অন্য দেশকে উপহার দেওয়ার কথা এবং থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সাথে পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ‘ভারত’-এর ভাবনা: এই মিশন শুধু একটি সরকারি বা একাডেমিক প্রকল্প নয়, বরং এটি ভারতের সংস্কৃতি, সাহিত্য এবং চেতনার একটি প্রতীক। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ‘ঐতিহ্য ও বিকাশ’-এর মন্ত্রকে বাস্তব রূপ দিতে চাইছেন, যা ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি ‘বিকশিত ভারত’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
#জ্ঞানভারতম #ডিজিটালইন্ডিয়া #নয়াদিগন্ত #পান্ডুলিপি #ঐতিহ্য #নরেন্দ্রমোদি #সংস্কৃতি
#GyanBharatamMission #DigitalIndia #PMModi #IndianHeritage #Manuscripts #AI #CulturalLegacy
![]()






