বাসন্তিক উৎসব
সুপর্ণা দত্ত
ফাল্গুন চৈত্রে শীত পেড়িয়ে বসন্ত
রুক্ষতা কাটিয়ে ঋতুরাজের আগমন
প্রকৃতিতে নব নব প্রাণের সঞ্চার
দক্ষিণা বাতাসে ভরে যায় প্রাণ মন।
বসন্ত মানে রঙের মেলা
গাছে গাছে নতুন পাতা
বসন্ত মানে দক্ষিণা বাতাস
প্রেম-বিরহে মন উদাস।
বসন্তে কোকিলা ডাকে
শিমুল-পলাশ গাছে গাছে,
উদাস মনে রঙ লেগেছে
বসন্ত পরবে খুশিতে মন মেতেছে।
ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার তিথি
বাঙালীর কাছে এক পবিত্র তিথি
আনন্দময় রঙের উৎসবের রীতি
দোল পূর্ণিমা নামে পেয়েছে খ্যাতি।
রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও রঙের খেলা
স্মরণ করে মানুষের দোল খেলা,
এই পূর্ণিমা শ্রীচৈতন্যের জন্মতিথি
তাই এটি গৌর পূর্ণিমার পায় পরিচিতি।
ছোট-বড়-বুড়ো সকলেই মেতে ওঠে
আবির, গুলাল ও রঙের খেলায়,
বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবে মিলে
মেতে ওঠে মিষ্টি মুখ আর শুভেচ্ছায়।
শিশু-কিশোর-জোয়ান সবে
এসেছে আজ ঘরের বাহিরে,
আবির, গুলাল দিচ্ছে ছড়িয়ে
কৃষ্ণ নামের সাথে বলছে গলা ছেড়ে……
“আজই খুলিয়ো হৃদয়দল খুলিয়ো
আজই ভুলিয়ো আপন-পর ভুলিয়ো
এই সংগীত মুখরিত গানে
তব গন্ধ তরঙ্গীয়া তুলিয়ো।”–
পূর্ণিমার আগের রাতে অশুভ শক্তি
হোলিকা দহনে বিনাশ করা হয়,
দোলযাত্রার সকালে সাজিয়ে দোলায়
রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিকে আবিরে রাঙায়।
ছোট-বড়-বুড়ো সকলেই মেতে ওঠে
আবির, গুলাল ও রঙের খেলায়,
বব্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবে মিলে
মেতে ওঠে মিষ্টি মুখ আর শুভেচ্ছায়।
—oooXXooo—
![]()







