“আলেয়া”
স্বামী অসিমানন্দ গিরি
দুই ধারার মিলন, আমার সৃজন।
আলো হতে আঁধারে অথবা আঁধার হতে আলোতে পতন।।
শুনে ক্রন্দন, আনন্দ উল্লাস করে অজ্ঞাত জন।
ধীরে ধীরে পরিচয়, ভ্রাতা-ভগ্নী জনক-জননী মোর আপন।।
কত স্নেহ ভালোবাসা না চাহিতে হয়েছে বরিষণ।
অন্যায্য দাবি মোর, সকলের প্রয়াসে হয়েছে পূরণ।।
কত স্বপ্ন হলো আরোপিত, কতক আপনি সৃজন।
ভাবনার আকাশে, ডানা মেলে উড়ে, হ’ল পতন।।
গেল শৈশব কৈশোর যৌবন, আগত কাল প্রবীণ।
ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত অবসন্ন, স্বপ্নের বাদাবন।।
মোর কষ্টে, যাদের হৃদয়ে হত শোণিত ক্ষরণ।
কেউ নেই আজ জনক-জননী, ভ্রাতা-ভগ্নী আপনজন।।
উদ্বৃত্তপত্রে মোর কেবলই দেখি, ঋণের সাত কাহন।
স্বপ্নের আলেয়া দেয় হাতছানি, গরমিলের ভরা জীবন।।
—oooXXooo—
![]()







