কলকাতা, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, নিউজ ব্যুরো আমার আলো: পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আয়োজনে গত ১৯ ও ২০ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখ রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যার শিরোনাম ছিল – ‘হারানো সুর’। দুই দিনব্যাপী এই মনমাতানো অনুষ্ঠানে রাজ্যের নবীন ও প্রবীণ শিল্পীরা লোকসংগীত, ক্লাসিক্যাল এবং বাংলা গানের এক বিস্মৃতপ্রায় ধারাকে আধুনিক মঞ্চে তুলে ধরেন। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান এক আবেগঘন আবহের সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ:
-
বিস্মৃত সুরের পুনরাবির্ভাব: এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেই সমস্ত বাংলা গান ও সুরগুলিকে নতুন করে দর্শকদের সামনে আনা, যা কালের গর্ভে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল।
-
শিল্পী সমাহার: মোট ৩৫ জন শিল্পী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন প্রখ্যাত লোকশিল্পী, এবং আধুনিক সঙ্গীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র।
-
মোট দর্শক: দুই দিনে প্রায় ৪,৫০০ জন সংগীতপ্রেমী দর্শক রবীন্দ্রসদনের এই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
-
পরিবেশিত গানের সংখ্যা: ১৯ ও ২০ নভেম্বর, এই দু’দিনে সবমিলিয়ে ৬০টিরও বেশি গান পরিবেশন করা হয়।
-
নতুন প্রতিভা: দপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ১০ জন নবীন প্রতিভাকে এই মঞ্চে সুযোগ দেওয়া হয়
-
-
সাংস্কৃতিক সংযোগ: এই অনুষ্ঠান শুধু গান-বাজনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক সফল প্রচেষ্টা।
তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের বার্তা:
তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, “আমাদের লক্ষ্য হল বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ভান্ডারকে রক্ষা করা এবং তাকে জনপ্রিয় করে তোলা। ‘হারানো সুর’ সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ। আগামী দিনেও এমন আরও অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।”
অনুষ্ঠানের শেষ দিনে উপস্থিত দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁরা জানান, এই ধরণের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র বিনোদনই নয়, বরং ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে এক আত্মিক সংযোগ স্থাপন করে।
![]()






