জীবন যন্ত্রণা
স্বপ্না নাথ
অপসংস্কৃতির বলয়ে বাস,
সে বড় জীবন যন্ত্রণা!
রুচিশীলতার সম সাথী যদি না থাকে নিজ পরিমণ্ডলে,
‘দিনগত পাপক্ষয়’ হয়তো একেই বলে!
ছিল রমনাতীত যারা, একান্ত আপন,
স্নেহ ডোরে, সুশাসনে, আবাল্য যাপন।
রোপন করেছিল তারা নীতির নৈতিকতা,
জীবন গঠনে ছিল সে ধারা বারতা।
শিশু প্রাণ শুষে নেয় যে মাটির রস,
তার থেকে পুষ্ট হয় টক, মিষ্টি, কষ।
নোনা জলে মেটে না পিপাসার টান,
স্কন্ধে যদি অহরহ নিকৃষ্টের নিঃশ্বাস!
সুজন রচেনা কভু ছলনার জাল,
তমসা ঢাকেনা তার হৃদয়ের তল।
তিমিরের অলিগলি, শিরা উপশিরা,
দুর্জন এর পরিক্রমা উৎকর্ষতা হারা!
আপন পরিসরে, আলোকিত মন,
অপসঙ্গ মন করে ত্যাগীতে অনুক্ষন।
বাৎসল্য মায়াডোরে টানে যে বাধন,
তার লাগি পলে পলে অন্তর ক্রন্দন।
ইচ্ছামরণ যদি থাকতো ধরাধামে,
অবরুদ্ধ মনোবাসনা পারতো উড়ে যেতে,
ঘুমন্ত চরাচরের নিস্তব্ধ নিশুতি রাতে,
অথবা কোন বায়সের প্রাতে,
বিশ্বাসের পরপারে, চির বিশ্রাম নিতে।
—oooXXooo—
![]()







