“এমন পূজার থাকনা বাকী”
জিতেন ভট্টাচার্য
মেঘেরা আর ভীড় করে না আকাশ নীল।
দিগন্তে তাই সবুজ সনে – পেয়েছে মিল।
পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি ঝল্ল্সে উঠে-
সাগর বুকের ঢেউগুলি আজ পড়ছে লুটে।
বাতাসে আজ কিসের আভাষ জানো নাকি!
মনের কবি বলছে পূজার নেইকো বাকী ।।
রাত্রি শেষে সবুজ ঘাসে শিশির পড়ে,
মিষ্টি রোদের পরশ পেয়ে শিউলি ঝরে।
প্রজাপতির পাখনা গুলি রঙীন হ’লো,
শ্বেত বলাকার বুক সাঁতারে মন মাতালো।
“বউ কথা কও” দোয়েল শ্যামা উঠল্লো ডাকি’
মনের কবি বলে পূজার ক’দিন বাকী।।
আনন্দেরই শ্রোতস্বিনী চলছে বহে;
মা আসিছেন বছর পরে সবাই ক’হে।
সকাল সাঁঝে শঙ্খ বাজে ধরার বুকে
মন ভোলানো হাসি ফোটে সবার মুখে।
মাতৃহারা ভাবছে বসি নয়ন ঢাকি –
হয়তো পূজার এখনো ভাই অনেক বাকী।
হারিয়ে যাওয়া মা যদি তার এবার আসে
যাবে না সে রইবে বসে দুয়ার পাশে।
মায়ের স্নেহ ভালোবাসা পায়নি কভু
টানছে তারে নিত্য মায়ের বাঁধন তবু।
মা বলিতে প্রাণ কাঁদে তার ভিজছে আঁখি
ভাবছে শুধু এমন পুজার থাক্কা বাকী।।
—oooXXooo—
![]()







