নারীর কবল কিম্বা ছোবল থেকে
শ্রী নীলকান্ত মনি
শৈশব আর বালক-বালিকা কাল
কাটে তাহা যেমন তেমন
ভর ছিলো তার
অপর কারো ’পরে!
বিশেষ করে বলতে গেলে
অধিক সে কাল কাটে তাহার
মায়ের উমেদারে!
সমস্যা যা
আসে তা কৈশোরে!
কেউ অতর্কিতে এসে
হালুম করে ঘাড়ের উপর পড়ে
গোল বাঁধায় মনের দরবারে!
একটি ছেলে একটি মেয়ে পাশাপাশি
একই বয়স, দাঁড়িয়ে যদি থাকে
অবধারিত ভাবে
মেয়ে টিকে দেখতে বড় লাগে!
শুধু কি তাই!
মনের গঠন করলে পরিমাপ
দেখা যাবে
পৃথক কোন পাঠ না পেলেও
ছেলের থেকে মেয়ের মনের গঠন
অনেক পরিণত, শক্ত
পোক্ত পরিপাক!
আরো আছে, মেয়ে
মায়ের যতো কাছে, পেলেও স্নেহ
ছেলে রয় না তখন মায়ের ততো কাছে!
বিপত্তি টা তাতেই যতো ঘটে!
সৃষ্টি মূলে বসে
সুচারু সেই কর্মটি যে করে
খোঁজ পাওয়া তার
বিশেষ করে চিনে নেওয়ার
উপায় পাওয়া ভার!
চেষ্টা যতোই থাক৷
খামতি রেখে যে জীবনের শুরু
কামনা বা লোভের জন্মদাতা
সেই হচ্ছে গুরু!
ছেলেই বলো মেয়েই বলো
জন্ম যে দেয়, সে একজন প্রাপ্ত বয়স
মেয়ে, এক-কথায় নারী!
জীবন জুড়ে রইবে যে তার
খবরদারী, এ আর এমন
বিচিত্র কি!
নর-এ যতোই করুক আড়ম্বর
এ সবই তার দোকানদারি-র
দেখনদারী!
সেই দোকানের চাবি তাহার
তৈরী তালার মাপে
মিললে খোলে
নইলে, খোলে তা কার বাপে!
কেউ মানুক বা ছাই না-ই মানুক
নারীর হাতেই
এ সংসারের যতেক ঠিকেদারি!
ঢেঁকি যতোই মাথা নাড়ুক
ঢেঁকির মাথা গড়েই এসে পড়ে
ঠোকে মাথা নিয়ম করে
তারই অভ্যন্তরে!
ঢেঁকিতে পাত দেওয়া ইস্তক
কাজ যতেক
নারীরাই তা করে!
তার কবল কিম্বা ছোবল থেকে
এড়িয়ে যাওয়ার মতো
খোলা কোন পথ
আদৌ কি সে রাখে!
এই পৃথিবীর সৃষ্টি খেলায় নারী
পুরুষ কে তার
আপন তাঁবে জড়িয়ে নিয়ে
ঘোরে ঘোরায় প্রবল ঘুর্ণি পাকে!
পরিপাটি
সেই সে নৌকো তলে
অথৈ জলের রয়েছে বিস্তার
ক্ষণে ক্ষণে
ঢেউ ওঠে তায় উথাল পাথাল
সুর করে তা যতোই মাপো
কোন কালেই পাবে না তার পার!
সঠিক পরিমাপ! ফটিক, পুরুষ তুমি
ভাবের ঘোরে তল খুঁজে তার
যতোই ফের, ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে হলে
অন্য কথা, অন্যথা
তোমায় দেবে না সে ছুটি!
—oooXXooo—
![]()







