বিধাতার রসিকতা
সুবর্ণ রুদ্র
জোড়াতালি দেওয়া জীবনের কাঁথা
পৃথিবীতে কেউ পরিপূর্ণ নয়। কোকিলকে বিধাতা গলা সাধার এমন এক আশ্চর্য ক্ষমতা দিয়েছেন যে শুনলে মনে হয় স্বয়ং ঈশ্বর কথা বলছেন, কিন্তু তার বিনিময়ে বাসা বাঁধার সামান্য বুদ্ধিটুকু কেড়ে নিয়েছেন। রূপের ডালি উপুড় করে দিয়েছেন ময়ূরের পেখমে, কিন্তু মন খুলে কথা বলার ইচ্ছেটাই গায়েব। ইচ্ছেগুলো সব জমা করে দিয়েছেন মানুষের বুকের ভেতর, কিন্তু কেড়ে নিয়েছেন সন্তুষ্টির চাবি। আবার যাকে দু’হাত ভরে অর্থবিত্ত দিয়েছেন, তার রাতের ঘুম আর মুখের হাসিটুকু বেমালুম সরিয়ে নিয়েছেন। বিধাতা বড় অদ্ভুত রসিক, সবাইকে কিছু না কিছু দিয়ে আবার মারাত্মক একটা ‘কিন্তু’ জুড়ে দিয়েছেন তার সৃষ্টির সঙ্গে।
এই যেমন ধরুন আমাদের পাড়ার প্রিয়ব্রতবাবু। পেশায় গানের মাস্টার। যখন তিনি দোতলার বারান্দায় খালি গায়ে একটা ময়লা ধুতি পরে হারমোনিয়াম নিয়ে বসেন, তখন মনে হয় তার গলা চিরে স্বয়ং নারদের কণ্ঠ বেরিয়ে আসছে। সেই সুরের জাদুতে রাস্তার কুকুরগুলোও কান খাড়া করে শোনে, বাচাল কাকগুলোও চুপ করে যায়। কিন্তু ওই পর্যন্তই। ভদ্রলোকের সাংসারিক জ্ঞান শূন্য বললেও কম বলা হয়। নিজের জামার বোতাম ছেঁড়া থাকলে সেলাই করতে জানেন না, ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন আর বাজারের ফর্দ মেলাতে গিয়ে প্রতিবার হয় নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, নয়তো পান্তা আনতে নুন। পাড়ার লোক তার গান শুনে মুগ্ধ হয়, আবার তার বোকামিতে লুকিয়ে হাসেও। প্রিয়ব্রতবাবু যেন সেই কোকিল, যার সুর আছে কিন্তু সংসার নেই।
ঠিক উল্টোদিকের বিশাল বাড়িটায় থাকেন শমিতা দেবী। ভদ্রমহিলা যখন বিকেলে তার কাঁচের মতো স্বচ্ছ বারান্দায় এসে দাঁড়ান, তখন পথচলতি লোকজনের ঘাড় বেঁকে যায়। যেন সাদা মার্বেল কেটে নিখুঁত হাতে গড়া এক মূর্তি। রূপে লক্ষ্মী, কিন্তু মুখে হাসি নেই। তার দৃষ্টি শূন্য, যেন বহু দূরের কিছু দেখছেন, যা আসলে কোথাও নেই। তার স্বামী, মস্ত বড় শিল্পপতি ঘনশ্যামবাবু, দিনে চারবার গাড়ি বদলান আর সারাক্ষণ ফোনে শেয়ার বাজারের ওঠা-নামা নিয়ে চিৎকার করেন। টাকা আছে, সম্মান আছে, অপরূপা স্ত্রী আছে; কিন্তু নেই শুধু স্ত্রীর দিকে একবার ভালো করে তাকানোর ফুরসত। শমিতা দেবী যেন সেই ময়ূর, যার রূপের ভারে ডানা ঝাপটানোর শক্তিটুকুই হারিয়ে গেছে।
এই দুজনের মাঝখানে, নিজের ছোট্ট ফ্ল্যাটের বারান্দায় চেয়ার পেতে বসে অনীশ। ছাপোষা কেরানি, মাস গেলে মাইনে পায়, যা দিয়ে সংসারটা কোনোরকমে গড়িয়ে চলে। অনীশের বুকের ভেতর হাজারটা ইচ্ছে কিলবিল করে—ছেলের ভালো স্কুলে ভর্তি, স্ত্রীর জন্য একটা দামি শাড়ি, নিজের জন্য একটা মোটরসাইকেল। সে প্রিয়ব্রতবাবুর মতো নিশ্চিন্ত জীবন চায়, আবার ঘনশ্যামবাবুর মতো টাকার পাহাড়ও চায়। তার নিজের যা আছে, তাতে মন ভরে না। সে হলো সেই মানুষ, যার ইচ্ছে আছে কিন্তু সন্তুষ্টি নেই।
হঠাৎ একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। কোত্থেকে একটা হুলো বেড়াল লাফিয়ে এসে পড়ল ঘনশ্যামবাবুর দামি ইতালিয়ান টবের ওপর। তিনি তখন ফোনে কাউকে ধমকাচ্ছিলেন, “আমার টাকার শ্রাদ্ধ হচ্ছে!” বেড়ালের উৎপাতে চমকে গিয়ে তার হাত থেকে মহার্ঘ্য ফোনটা সোজা নিচে। ঝনঝন শব্দ। আর ঠিক তখনই, যা কেউ কোনোদিন দেখেনি, তাই ঘটল। পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকা শমিতা দেবী খলখল করে হেসে উঠলেন। সে কি হাসি! যেন বন্ধ ঝর্ণার মুখ খুলে গেছে। সেই হাসির শব্দে প্রিয়ব্রতবাবুর গানের সুর কেটে গেল, তিনি অবাক হয়ে তাকালেন। আর নিচের রাস্তায় ফোন ভাঙার শোকে পাথর হয়ে যাওয়া ঘনশ্যামবাবু স্ত্রীর দিকে এমনভাবে তাকালেন, যেন বিয়ের পর আজই প্রথমবার দেখছেন।
অনীশ চুপচাপ সবটা দেখছিল। তার স্ত্রী এক কাপ চা হাতে নিয়ে এসে পাশে দাঁড়িয়ে বলল, “কি এত দেখছ গো?” অনীশ চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে মৃদু হাসল। সে বুঝল, জীবনটা আসলে একটা জোড়াতালি দেওয়া কাঁথার মতো। কোথাও একটু ছেঁড়া, কোথাও একটু দাগ, কোথাও আবার অন্য রঙের সুতো দিয়ে সেলাই করা। নিখুঁত নয়, কিন্তু বড় আপন, বড় উষ্ণ। এই যে ভাঙা ফোনের জন্য শোক, সামান্য কারণে অট্টহাসি আর সুর কেটে যাওয়ার বিস্ময়—এই ছোট ছোট অসম্পূর্ণ মুহূর্তগুলো দিয়েই হয়তো ‘পরিপূর্ণতা’ নামের মস্ত বড় ফাঁকিটাকে পাশ কাটানো যায়। হাতে গরম চায়ের কাপটা তার কাছে হঠাৎই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি বলে মনে হলো।
ঘনশ্যামবাবুর মুখের ওপর থেকে ক্রোধের মেঘটা সরে গিয়ে একরাশ বিস্ময় জমা হলো। ভাঙা ফোনের দিকে তার আর নজর নেই, তিনি যেন জন্মে প্রথমবার তার স্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন। যে মুখে এতদিন শুধু প্রসাধনের আস্তরণ আর একঘেয়ে শূন্যতা দেখে এসেছেন, সেখানে আজ জীবন্ত রক্তের ছোঁয়া, এক চিলতে দুষ্টুমি মেশানো হাসি লেগে আছে। এই হাসির শব্দ তার কানে এতটাই অচেনা যে, মুহূর্তের জন্য তার মনে হলো তিনি ভুল শুনছেন। লাখ টাকার ফোনটা মাটিতে চুরমার হয়ে পড়ে আছে, কিন্তু সেই লোকসানের যন্ত্রণা ছাপিয়ে এই হাসির বিস্ময় তাঁকে অভিভূত করে ফেলল।
তিনি তার স্বভাববিরুদ্ধ এক কাজ করে বসলেন। চিৎকার করার বদলে, তার ভারি গলায় প্রশ্ন করলেন, “হাসিটা কি ফোন ভাঙার জন্য, নাকি বেড়ালটার জন্য?” প্রশ্নটা শুনে শমিতা দেবী আরও অবাক হলেন। তিনি ভেবেছিলেন এবার হয়তো তুমুল অশান্তি হবে। তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন, “দুটোর জন্যই। অনেকদিন পর মনে হলো, টাকা ছাড়াও পৃথিবীতে অন্য কিছু ভাঙে, আর তাতে দুঃখ না পেয়ে আনন্দও হতে পারে।” কথা ক’টা বলে তিনি আর বারান্দায় দাঁড়ালেন না, সোজা হনহন করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে লাগলেন। ঘনশ্যামবাবু দেখলেন, তার স্ত্রী নিচে নেমে সেই হুলো বেড়ালটাকে তাড়িয়ে দেওয়া তো দূর, বরং তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন।
ওপর থেকে এই দৃশ্য দেখছিলেন গানের ওস্তাদ প্রিয়ব্রতবাবু। তার গানের সুর কখন থেমে গেছে। এই অদ্ভুত নাটক দেখে তার গোঁফের নিচে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। তিনি হারমোনিয়ামে আবার হাত রাখলেন, কিন্তু এবার আর সেই গম্ভীর মেঘমল্লারের সুর নয়। তার গলা থেকে বেরিয়ে এলো এক সহজ, সরল লোকগিতীত, “মন মাঝি তোর বৈঠা নে রে, আমি আর বাইতে পারলাম না।” সুরের মধ্যে এমন এক অনাবিল আনন্দ ছিল, যা শুধু পরিস্থিতিকে বর্ণনা করে না, বরং তাকে উপভোগও করে। এ যেন এক নতুন নাটকের আবহসংগীত।
অনীশ আর তার স্ত্রী কাপ হাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে। অনীশের স্ত্রী ফিসফিস করে বলল, “বাব্বা! এত বছরে এই প্রথম দেখলাম ম্যাডামকে অমন হাসতে আর নিচে নামতে। বেড়ালটা দেখছি পয়মন্ত।” অনীশ কিছু বলল না, শুধু হাসল। সে দেখল, জীবনের শক্ত হয়ে যাওয়া গিঁটগুলো মাঝে মাঝে এমন অপ্রত্যাশিত টানেই আলগা হয়ে যায়। কোনো বড় পরিকল্পনা বা প্রচেষ্টা দিয়ে যা হয় না, তা একটা সামান্য বেড়াল অবলীলায় করে দিয়ে গেল।
ঘনশ্যামবাবু বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে রইলেন। তিনি কি ভাঙা ফোনের জন্য কোম্পানির কাছে অভিযোগ জানাবেন, নাকি এই নতুন করে খুঁজে পাওয়া হাসির কারণ খুঁজবেন, তা যেন ঠিক করে উঠতে পারছিলেন না। প্রথমবারের মতো তার মনে হলো, তার বিশাল সম্পত্তির চেয়েও দামী কিছু হয়তো আছে, যার খবর তিনি নিজেই রাখতেন না।
অনীশ চায়ের কাপে শেষ চুমুক দিল। তার মনে হলো, এই জোড়াতালি দেওয়া জীবনের কাঁথাটা মাঝে মাঝে বড্ড অদ্ভুত নকশা তৈরি করে। কেউ কাঁথাটা ফেলে দিতে চায়, কেউ নতুন করে বানাতে চায়। কিন্তু আসল মজাটা হয়তো পুরনো কাঁথার ছেঁড়া অংশগুলো নতুন সুতো দিয়ে জুড়ে দেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে। উল্টোদিকের বাড়িটা আর তার কাছে নিছক একটা টাকার পাহাড় বলে মনে হলো না; বরং মনে হলো, ওটাও একটা ঘর, যেখানে হয়তো আজ থেকে নতুন একটা গল্প শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো।
সেদিন রাত নামল একটু অন্যভাবে। পাড়াটা যখন নিস্তব্ধ হয়ে এল, উল্টোদিকের বিশাল বাড়িটার ভেতরেও নেমে এলো এক অচেনা নিস্তব্ধতা। দামি ঝাড়বাতির বদলে ঘরের কোণে জ্বলছে একটা নরম আলোর ল্যাম্প। ঘনশ্যামবাবু দেখলেন, শমিতা ব্যালকনির দরজাটার কাছে চুপ করে বসে আছে, তার দৃষ্টি বাইরে অন্ধকারের দিকে। দিনের বেলার সেই হাসির রেশটুকুও আর মুখে নেই, কিন্তু আগের সেই পাথর-কঠিন শূন্যতাও নেই। সেখানে জমে আছে এক গভীর, ভেজা বিষণ্ণতা।
ঘনশ্যামবাবু পায়ে পায়ে এগিয়ে এসে তার পাশে দাঁড়ালেন। কি বলবেন, বুঝতে পারছিলেন না। বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা নীরবতা ভাঙা কি এতই সহজ? তিনি ইতস্তত করে বললেন, “আজ… অনেকদিন পর… তোমাকে এভাবে হাসতে দেখলাম।”
শমিতা তার দিকে না তাকিয়েই ধীরে ধীরে বললেন, “হাসিটা বেশিক্ষণ থাকল না।”
“কেন?” ঘনশ্যামবাবুর গলায় আকুতি ঝরে পড়ল।
এবার শমিতা তাঁর দিকে তাকালেন। সেই চোখে অভিযোগ ছিল না, ছিল একরাশ চাপা কষ্ট। তিনি ফিসফিস করে বললেন, “বেড়ালটা যখন টবটার ওপর বোকার মতো লাফিয়ে উঠল… ঠিক আমাদের মন্টুর মতো। মনে আছে, পাঁচ বছর বয়সে ও ঠিক এভাবেই বারান্দার রেলিং-এ লাফিয়ে উঠে আমাদের ভয় দেখিয়ে দিয়েছিল?”
‘মন্টু’—এই একটা শব্দ যেন দুটো মানুষের মাঝখানে জমে থাকা বরফের পাহাড়টাকে এক মুহূর্তে গলিয়ে দিল। এটা ছিল তাদের সেই ‘একান্ত গোপন কথা’, যে কথা তারা একে অপরকে ভয়ে বলতেন না, পাছে পুরনো ক্ষত আবার দগদগে হয়ে ওঠে। তাদের একমাত্র ছেলে, যে ছ’বছর বয়সে ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। তারপর থেকেই শমিতা পাথর হয়ে গিয়েছিলেন আর ঘনশ্যামবাবু নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন টাকার সমুদ্রে। দুজনেই ভেবেছিলেন, একে অপরকে দুঃখের কথা মনে না করিয়ে দেওয়াই হয়তো ভালো থাকার উপায়। কিন্তু এই এড়িয়ে যাওয়াটাই তাদের আরও একা করে দিয়েছিল।
শমিতার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। ঘনশ্যামবাবু স্ত্রীর পাশে বসে তার হাতটা নিজের মুঠোয় তুলে নিলেন। তার নিজের গলাও ধরে আসছিল। কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, “আমি ভেবেছিলাম টাকা দিয়ে, ব্যস্ততা দিয়ে সব দুঃখ চাপা দিয়ে দেব। আমি পারিনি শমিতা, কিচ্ছু পারিনি।” শমিতা কোনো উত্তর না দিয়ে স্বামীর হাতে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরলেন। বহু বছর পর, সেই রাতে তাঁরা আর শিল্পপতি ও তাঁর রূপসী স্ত্রী হয়ে রইলেন না; হয়ে উঠলেন শুধু দুজন সন্তানহারা মা-বাবা, যারা একে অপরের কষ্টে অবশেষে আশ্রয় খুঁজে পেলেন।
ওপরের ফ্ল্যাটে প্রিয়ব্রতবাবুও আজ আর গান গাইছিলেন না। বারান্দা থেকে উল্টোদিকের বাড়ির নরম আলোটা দেখে তার কেবলই মনে হচ্ছিল, আজ সুরের প্রয়োজন নেই। কিছু ক্ষত নীরবতা দিয়েই ভরাট করতে হয়।
আর নিজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল অনীশ। সে বা তার স্ত্রী কেউই এত ভেতরের খবর জানে না। সে শুধু দেখল, উল্টোদিকের বাড়ির দুটো ছায়ামূর্তি অনেকক্ষণ ধরে পাশাপাশি বসে আছে। তাদের মধ্যে কি কথা হচ্ছে, তা জানার উপায় নেই, কিন্তু সে অনুভব করতে পারছিল যে, আজ সেখানে কোনো দেওয়াল নেই। তার হঠাৎ মনে হলো, বিধাতা হয়তো বড় রসিক, কিন্তু নির্দয় নন। তিনি কেড়ে নেন, কিন্তু আবার ফিরিয়ে দেওয়ার পথও খুলে রাখেন। হয়তো সবটা ফিরিয়ে দেন না, কিন্তু যেটুকু দেন, তা আঁকড়ে ধরেই জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
অনীশ তার স্ত্রীর কাঁধে হাত রাখল। তার নিজের জীবনের ছোট ছোট অসম্পূর্ণতা, না-পাওয়াগুলো আজ বড্ড তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। আসলে পরিপূর্ণতা বলে হয়তো কিছুই নেই, আছে শুধু একে অপরের অসম্পূর্ণতাকে ভালোবেসে, সেই জোড়াতালি দেওয়া কাঁথাটা একসাথে গায়ে জড়িয়ে পাশে থাকার চেষ্টা। বাইরের রাত যেমন গভীর হচ্ছিল, তেমনি এক গভীর শান্তিতে তার ভেতরটা ভরে উঠছিল।
শেষ
![]()






