হৃদস্পন্দন
বাসুদেব চন্দ
‘ইলন এ্যলিসন’ পৃথিবীর সেরা ধনীদের মধ্যে একজন। মাথার ওপরের আকাশ, পায়ের নিচের মাটি, প্রকৃতির বুকচিরে সৃষ্টি হওয়া প্রত্যয়ী-পর্বতমালা, পর্বতের পাদদেশ পাদপদ্ম হয়ে বয়ে চলা নদী-নালা, নদী-নালার চোখে চোখ রেখে কথা বলা চন্দ্র-সূর্য এবং ধ্রুবতারা- এ-কটি ছাড়া সবই আছে ইলনের লকারে! আরোকিছু আগুপিছু রাখা আছে নিত্যদিনের দরকারে।
যে-টা নেই, সে-টার তালিকা খুবই কম, নেই বললেই চলে! হাতে গোনা দু’চারজন সবার গায়েই লেপ্টে থাকে। কেউ স্বার্থে থাকে, কেউ থাকতে হবে তাই থাকে! ইলনের ও-সবের কোনও বালাই নেই!
আধুনিক প্রযুক্তি ‘জি হুজুর’ ভঙ্গিমাতে ওঁর আজ্ঞা-বাহক হয়ে পায়ের কাছে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকে।
আজ তাই ‘আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ’-এ কোনও বিস্ময় নেই, আছে শুধু মনিবের চাহিদা এবং চাহিদার রকমফের!
★★★
সেই ইলনের সম্পদ আজ যতটা আকাশ ছুঁয়েছে, বয়স ততটাই ছুঁয়েছে মাটি। তাই কর্মময় জীবনকে বিদায় দিয়ে চিরতরে নিয়েছে ছুটি।
এখন শুধু বাকি, বাকি জীবনটাকে উপভোগ করা!
★★★
দুপুরের খাওয়া সেরে ইলন রোজ দোতলার জানলা থেকে বাইনোকুলার হাতে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখেন-
মন ভরে দেখেন-
একদল উদলো ছেলে পুরো উদ্যমে নির্মল সরোবরে প্রতিদিন স্নান সারে! শৈশব ছেড়ে সবে যারা কৈশোরে পা-দিয়েছে, তারা উঁচু পাড় থেকে ‘ঝপাং’-করে ঝাঁপ দেয় সুগভীর জলাশয়ে!
ও-জায়গাটা ইলনের চেনা। ওটা আলাস্কা অঞ্চলের একটি নামকরা জলাশয়।
ছেলেদের শরীরী-আনন্দ ইলনকে উজ্জীবিত করে! ইচ্ছে করে ওই কিশোরের হাত ধরে ডুব-সাঁতারে হারিয়ে যায় যতদূর যেতে মন চায়!
ইচ্ছে করে আরও অনেককিছু! কিন্তু সব ইচ্ছে’রা ডানা মেলে ওড়ে না, খাঁচাতেই বন্দি থাকে! তাই আকাশের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকে!
রোজ রোজ ওদের দেখাটা ইলনের নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রহর গুনতে থাকেন- সকাল হয়ে দুপুর কখন হবে, রাত হয়ে সকাল কখন হবে!
একেকদিন এমন হয়েছে- ওদের দেখতে দেখতে আচম্বিতেই পিছনে সরে আসেন- পাছে ‘ঝপাং’-এর জল ওঁর গায়ে ছিটকে আসে!
এই হ্যালুসিনেশনেই ডুবে আছেন ইলন!
★★★
গতকাল রাতে অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখেন –
একটি কিশোর ওঁর গা ঘেঁষে শুয়ে আছে~~! মাথাটা ওঁর বুকে~!
স্পর্শ করেন ইলন~~~!
ওর বুকের স্পন্দন নিজের শিরা-উপশিরাকে উত্তেজিত করে~~~~!
উজ্জীবিত করে ওঁর
সুপ্ত ভালোবাসাকে~~~~!
ঘুম ভাঙে তখুনি!
ফিরে আসেন জাগতিক চেতনায়!
দুটো শরীরের স্পর্শ এত আকাশচুম্বী আনন্দ দিতে পারে ইলন আজ প্রথম উপলব্ধি করলেন!
হলোই নাহয় স্বপ্ন, মুহূর্তটুকু তো জীবন্ত!
★★★
কয়েকমাস এ-ভাবেই কেটে যায়। কিছুদিন পরপরই ওই কিশোর আসে ইলনের স্বপ্নে!
★★★
অভ্যাসবশত সেদিনও বাইনোকুলার হাতে যতদূর চোখ যায় দেখতে থাকেন-
কিন্তু কোথাও কারো অস্তিত্ব নেই, আজ সারা সরোবর ফাঁকা। রদ্দুর ‘খাঁ খাঁ’!
এমন ‘হু-হু’-করা মনের কথা ইলন আগে কখনও শোনেননি!
হঠাৎ
●সিস্টেমে সিগনাল-
●বাড়ির বাইরে কেউ একজন অপেক্ষা করছে-
●কম্পিউটার অন করলেন ইলন-
●স্ক্রিনে একটি কিশোরের মুখ ভেসে উঠল-
●চেহারার বাঁধনে সেই কম্পন-
●চোখ ও ঠোঁটে সেই উন্মাদনা-
সিস্টেম থেকে বার্তা প্রেরণ করলেন-“ওয়েলকাম টু ইলনস প্যালেস….!”
যান্ত্রিক উষ্ণ-অভ্যর্থনায় কিশোর প্রবেশ করল ইলনের বিশেষ কক্ষে!
এখানে কেউ একজন আছেন- এ-টুকু বোঝা গেলেও দেখা গেল না কাউকেই! শুধু শোনা গেল-
‘বোসো’!
আড়াল থেকে দেখে ইলন ওকে চিনতে পারলেন! শুরু হলো হৃদস্পন্দনে অনুরণন!
এই কিশোরটিকেই ও প্রতিদিন দুপুরে জলে ঝাঁপ দিতে দেখেন!
এই ‘সেই-ই’ কিশোর, যে রাতে ঘুমন্ত-ইলনে জীবন্ত হয়ে আসে!
কিশোরটি খানিক জড়তা জড়িয়ে জিজ্ঞেস করল-“এখানে কেউ আছো? খুব দরকারে তোমার কাছে এসেছি!”
পাশে থাকার বার্তা দিতে ইলন ছোট্ট একটা জানলাটা থেকে মস্ত হাতখানা বাড়িয়ে দিলেন!
হঠাৎ একখানা হাত দেখে ছেলেটি চমকে ওঠে!
যক্ষপুরীর রাজার মস্ত শরীর বাদ দিয়ে শুধু একখানা হাত দেখার ভয়ে নন্দিনী যেভাবে চমকে উঠেছিল!
ইলন তাকে আস্বস্ত করলেন-
“কোনও ভয় নেই বালক, বোসো আমার কাছে!
তোমার আসার কারণ আমি জানি।এখানে বসে বসে পৃথিবীর প্রতিটি কোণা-ঘুপচির খবর আমি রাখি।
কিন্তু তুমিই যে আজ আসবে, তা ভাবতেও পারিনি!
তুমি আমার বন্ধু হলে তোমার সব কথা আমি শুনব! রাজি আছো তো বলো!”
“না-দেখে বন্ধু হব কী করে? তাছাড়া আমাকে তোমার কেন দরকার, সবই তো আছে তোমার!”
“তা আছে। সমস্ত সুখের চাবিকাঠি আমার ‘জাদুকাঠিতে’ নতজানু হয়ে আছে! যে-টুকু নেই, শুধু সে-টুকুই তোমার কাছে চাইছি!
তুমি আমায় দেখতে চাইছো তো?
বেশ….! কিন্তু কথা দিতে হবে- তুমি আমার বন্ধু হবে!”
“আগে তো কাছে এসো, তারপর ভেবে দেখব!”
ইলন বেরিয়ে এসে অতি সাধারণ বেশে কিশোরকে দেখা দিলেন!
ওঁকে দেখামাত্রই কিশোরের ভয় কর্পূরের মতো উবে গেল! সে নির্ভয়ে বলল-
“তুমি!
তোমাকে সবাই কেন এত ভয় পায় বুঝি না। তুমি দেখতে ঠিক আমার দাদুর মতো। দাদু ছিল কালো, আর তুমি হলে ফর্সা- এইটুকুই যা পার্থক্য! তবে হ্যাঁ, আমার দাদু তোমার মতো এত সুন্দর ছিল না!”
ইলন জিজ্ঞেস করলেন-
“তোমার নাম কি?”
অন্য দিকে তাকিয়ে কিশোর উত্তর দিল-
‘পল’।
ইলন কাঁপা কাঁপা হাতে পলের নরম হাতখানা স্পর্শ করলেন! কোনও বাধা না-পেয়ে বুকে হাত দিয়ে বললেন-
“তোমাকে একটু জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে! ধরব?”
“ও-সব আদর-যত্ন পরে হবে, আগে তুমি আমার কথা শোনো-
আমাদের বাড়িগুলো ওঁরা ভেঙে দিচ্ছে! তুমি ওঁদের আটকাও! তুমি বললে ওঁরা শুনবে! আমি জানি!”
“ইলনের বন্ধুর ঘর ভেঙে দেয়- এমন ক্ষমতা কার আছে!”
পল তাড়াতাড়ি কিবোর্ড’টা ইলনের দিকে এগিয়ে দেয়-
ইলন বললেন-
“ও-সব লাগবে না।”
ইলন কতগুলো শব্দ উচ্চারণ করতে লাগলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সে-গুলো টকাটক করে চিঠির আদলে স্ক্রিনে টাইপ হতে লাগল-
“আপনারা যদি সরোবর সংলগ্ন ঘরগুলো ভাঙা বন্ধ না-করেন তাহলে আমাদের মধ্যে যে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল সেগুলো আর বাস্তবায়িত হবে না!
যদি সে-টা না-চান, তাহলে আজই ওঁদের জন্য পাকা ঘর এবং নিঃস্বর্ত মালিকানা দিন!”
চিঠির একটা প্রিন্ট আউট বের করে পলের হাতে দিয়ে বললেন-
“এটা নিয়ে ওঁদের হাতে দিয়ে দাও!”
চিঠিটা হাতে পেয়েই পল ঝড়ের গতিতে দৌড় লাগল-
“আমার কথা মনে রাখবে তো?”
“কাল এসে তোমায় সব বলে যাব…..!
★★★
সে-দিনের পর থেকে ইলন আর পল- একে অপরের বন্ধু হয়ে গেল! পরম বন্ধু!
বেঁচে থাকার মাটি ফিরে পাওয়ায় আলাস্কার মানুষজন সবাই আজ পলকে মাথায় তুলে নাচছে এবং ইলনকে তাদের গডফাদার ভাবছে!
শুধু পল-ই ভেবে পাচ্ছে না-
ওই বুড়ো লোকটা কেন এতকিছু করল! কী চায় ও!”
এ-নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে বিস্তর কথাকথি চলে-
কেউ বলে-
“কাজ যখন হয়ে গেছে আর ও-মুখো হোস না পল!”
“তা হয় না রে, খারাপ লোক হলে এ-কাজ কখনোই ও করতে পারত না!”
আরেকজন বন্ধু বলল-
“আমি বলি শোন- তোকে যদি এতই ভালোবাসে তাহলে আরও কিছু আদায় করে নে! সময় বুঝে কেটে পড়বি!”
“কারো কথায় কান দিস না পল”- আরেকজন বন্ধু বলল-
“একদিন আমায় নিয়ে চল- দুয়েক মিনিট কথা বললেই ওর মতলবটা আমি ধরে ফেলতে পারব!”
“সে-টি হচ্ছে না রে ভাই, ওঁর চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকতে গেলে কতগুলো ধাপ পেরোতে হয় তা একমাত্র আমিই জানি! তার থেকেও বড় কথা – বুড়ো আমায় পরিষ্কার বলে দিয়েছে- কাউকে সঙ্গে আনা চলবে না!”
তিনজনই বলে উঠল-
“তবেই বুঝে দেখ!”
★★★
এতসব বুদ্ধি-পরামর্শে মাথা না-ঘামিয়ে পল শুধু ওর ঠাকুমার কথাটাই মাথায় রাখল- ‘তোমার এই বন্ধুকে কখনও দুঃখ দিয়ো না’!
শুধু তাই নয়- ঠাকুমার কথা মতো পল একদিন ইলনকে ওদের বাড়িতে আসতে অনুরোধ করল-
খুশি হয়ে ইলন বললেন-
“বন্ধুর বাড়িতে যেতে কার না মন চায় বলো, কিন্তু শরীর যে সায় দেয় না!
তুমি এক কাজ করো- যাওয়ার সময় এটা তোমার সঙ্গে নিয়ে যেয়ো, তাহলেই আমি তোমাদের সবকিছু দেখতে পাব, শুনতেও পাব!”
★★★
তাই হলো- ইলনের দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন ওই গ্যাজেটের সাহায্যে পল সবকিছু দেখাতে শুরু করল-
যত দেখছেন, ইলন ততই অবাক হচ্ছেন-
মাথার ওপরের আকাশ, পায়ের নিচের মাটি, প্রকৃতির বুকচিরে সৃষ্টি হওয়া প্রত্যয়ী-পর্বতমালা, পর্বতের পাদদেশ পাদপদ্ম হয়ে বয়ে চলা নদী-নালা, নদী-নালার চোখে চোখ রেখে কথা বলা চন্দ্র সূর্য এবং ধ্রুবতারা- সবকিছুই পলেদের দখলে! ইলনের প্রযুক্তিতে তাদের কোনও স্থান নেই!
পলের ঠাকুমা অতশত বোঝেন না, মনে করেছেন-পলের বন্ধু বাড়িতে এসেছে! তাই খুশি হয়ে বললেন-
“পলের মুখে তোমার সব কথা শুনেছি বাবা! অন্তর থেকে তোমায় আশীর্বাদ করছি!
আজ প্রথম তুমি আমাদের বাড়িতে এলে, কী খেতে দিই বলো দেখি!
এ-কথা বলেই দেয়ালের ফুটো থেকে কিছু একটা বের করে ইলনকে দিতে গেলেন!
পল হেসে বলল-
“আমার বন্ধু অনেক দূরে আছে ঠাকুমা, আমাকে দাও, কাল ওঁকে দিয়ে দেব!”
ইলন বুকে হাত রেখে বললেন-
“ওঁকে বলে দাও- ওঁর আশীর্বাদ আমি মাথা পেতে নিলাম!”
★★★
ইলনের বাড়িতে আজ পলের অবারিত দ্বার! এমন একটা দিন যায়নি, যে-দিন পল আসেনি।
ইলনের আদর-যত্নে পলের চেহারাও বদলে গেছে!
★★★
একদিন কথায় কথায় পল জিজ্ঞেস করল-
“তুমি আমার জন্য কতকিছু করলে! আমিই তো কিছুই করতে পারলাম না!
আচ্ছা, কথায় কথায় তুমি যে বলো ‘একদিন তোমাকে আমার ইচ্ছে পূরণ করতে হবে’- কী সেই ইচ্ছে? কবে পূরণ করতে হবে গো?”
“সে-দিন আর খুব দেরি নেই পল, সময় হলেই বলব! সে-দিন কিন্তু গোটাদিন আমার কাছে থাকতে হবে!”
“সে আর এমন কি! এখন অল্প সময় থাকছি, সে-দিন নাহয় পুরোটাই থাকব।
কবে থাকব?”
“সময় এলেই বলে দেব!”
★★★
মাস তিনেক পর ইলন একদিন পলকে বললেন-
“আগামীকাল ঠাকুমাকে বলে এসো- তুমি কাল আমার কাছে থাকবে।
আরেকটা কথা, তোমায় আরও কিছু জিনিস দেব; সেগুলো খুব যত্ন করে রেখে দিয়ো। খুব দামি জিনিস, ভবিষ্যতে তোমায় কাজে লাগবে!”
“আর কিচ্ছু চাই না আমি। কী করব ওসব নিয়ে? দেখলে তো আমার ঠাকুমাকে, আমাদের যা-কিছু আছে, ওই ঘরের দেয়ালেই রাখা আছে! ও-তেই বেশ আছি আমরা!”
“তুমি ছোট, বুঝবে না।”
“আমি তাহলে কাল আসব না!”
“সে কী পল! আজ পর্যন্ত আমি যা-কিছু তোমায় দিয়েছি তা তো কালকের জন্যই!”
“বললাম তো, আসব না!”
ইলন আর কথা বাড়ালেন না-
“বেশ, নিতে হবে না। কাল কখন আসবে তুমি?”
“তুমি বলো?”
“আমি আর কী বলব! পারলে আজই তোমায় রেখে দিতাম! জাপটে ধরে শুয়ে থাকতাম সারাটা রাত! কিন্তু তা তো আর হবার নয়, তোমার ঠাকুমা চিন্তা করবেন! কাল যত ভোরে পারো চলে এসো! অপেক্ষায় থাকব!”
“ঠিক আছে…..।”
“কথাটা যেন মনে থাকে- একা আসবে…..!”
“ঠিক আছে বাবা ঠিক আছে………..!”
★★★
রাত্রির নিদ্রা শেষে সূর্য সবে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠেছে!
এমন সময় পলের দরজায় নাড়া দিলেন ইলনের লোক-
“পল, এক্ষুণি তোমায় আমাদের সঙ্গে যেতে হবে!”
“এত ভোরে তোমরা কেন এলে? আমি তো নিজেই চলে যেতাম!”
“স্যার অস্থির হয়ে উঠছেন যে….!”
ওঁর কথা শুনে পলের ঠাকুমা বললেন-
“তোমরা একটু বোসো, এক্ষুণি ওকে তৈরি করে দিচ্ছি!”
খুব তাড়াতাড়ি পল তৈরি হয়ে ওঁদের সঙ্গে বেরিয়ে পড়ল।
★★★
গাড়ি ‘ইলনস প্যালেসে’ পৌঁছতেই পল দৌড় লাগাল বন্ধুর ঘরের দিকে…….!
সারা বাড়ি তখন লোকে লোকারণ্য! সবাই পলের জন্য অপেক্ষা করছেন-
ইলন তখন বিছানায় শুয়ে পলকে হাতড়ে বেড়াচ্ছেন…. “প….ল….! “প…ল…”!
পল বয়সে কিশোর হলেও মৃত্যু দেখে আসছে শৈশব থেকে! তাবলে বন্ধুকেও যে এত তাড়াতাড়ি হারাতে হবে তা ভাবতে পারেনি!
ঝুঁকে পড়ে বন্ধুর কপালে একটা চুম্বন করল! চোখের জল গড়িয়ে পড়ল ইলনের বুকে!
শুষ্ক মরুভূমিতে জন্ম নিল একটি দূর্বাঘাসের চারা!
—oooXXooo—
![]()







