রথযাত্রা
সুপর্ণা দত্ত
আষাঢ় এলো বর্ষা নিয়ে
টাপুর টুপুর রিমঝিমঝিম,
কখনও ঝরছে আঝোরধারে
তুলসী তলায় প্রদীপ টিমটিম।
আষাঢ় মাসের শুক্ল দ্বিতীয়ায়
জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা যান,
মাসির বাড়ি সুসজ্জিত রথে চড়ে
সোজারথ বলে পায় আখ্যান।
সাতদিন পরে ভক্তগণের সাথে
সুসজ্জিত রথে ভাই-বোনকে সহ
বাড়ি ফেরেন জগন্নাথদেব
উল্টোরথ যাকে তোমরা কহ।
রথের চাকা ঘোরে তখন
রশি টানে ভক্তরা যখন,
সুসজ্জিত রথের শোভাযাত্রা
দেখেন চেয়ে ভক্তগণ।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলে
ছোট বড় রথ সাজিয়ে,
রঙিন কাগজ নানান ফুলে
খোকা খুকু এলো নিয়ে।
রথ এসেছে রথ এসেছে
ছোট্ট খুকু বলছে হেঁকে,
জগনদাদা আছেন রথে
রথ চলেছে এঁকেবেঁকে।
বলরাম-সুভদ্রাও আছেন
জগন্নাথের সাথে সাথে,
ছোট্ট খুকু দিচ্ছে প্রসাদ
দর্শনার্থীর হাতে হাতে।
খোকাবাবু দাঁড়িয়ে আছে
রথ আসেনি তার বাড়িতে,
মনটা যে তার বড়ই খারাপ
রথের দিনের বিকেলেতে।
তাইনা দেখে ছোট্ট খুকু
দড়ি দিল হাতে ধরিয়ে,
চলল সবাই মহা আনন্দে
রথের মেলার মাঠ পেড়িয়ে।
রথের মেলার নানান মজা
জিলিপি আর পাঁপড় ভাজা,
ঘুগনি মুড়ি আর আলুর চপ
লাগে ভাল গরম খাজা।
বসেছে দোকান হরেক রকম
পসরা আছে রকমারি,
নাগরদোলা টয়ট্রেনও আছে
খেলনা পুতুল রঙ বাহারি।
বৃষ্টি পড়ে কাদা প্যাচপ্যাচ
মেলার মাঠে ভিড়ের চাপ,
সাধ হলেও যায় না ঘোরা
তাই তো খুকুর মন খারাপ।
—oooXXooo—
![]()







