বারতা
শ্রী নীলকান্ত মণি
এ কেমন কথা!
ছবি টা
লাগছে যেন খানিক অচেনা৷
কেনই বা মাথাতে
না থাকার এমন ভাবনা আসে!
এতো বেদনা কিসের!
কেন তারা বুক জুড়ে বসে
ক্ষণে
হৃদয় অলিন্দে এসে
এই ভাবে বিচলিত করে!
একদিন যেতে তো হবেই৷
তা তো জানা৷
তবে,
কিসের এতো তাড়া!
ভবিষ্যতে, কি হবে না হবে,
কী এতো ভাবার আছে
তা নিয়ে!
দেখো চেয়ে
ঋতুর পর্যায় ধরে শরৎ এলেই
শিউলী ফুল শাখে
কিভাবে
শিহরণ জাগে; নত হয় শাখা
ফুল ভারে৷
শিউলী—
অকাতরে মৃদু সৌরভ ছড়িয়ে
সে ফোটে
রাতের আঁচলে৷ যায় ঝরে
ঊষা কালে৷ প্রভাতের আলো
ফুটে উঠবার আগে৷
পৃথিবী তখন
রাখে না কি তার
কোল পেতে! রাখে না কি
সবুজ গালিচা বিছিয়ে
বুকের আদরে
তারে
ভরিয়ে দিতে!
শীত আসে হেমন্ত পেরিয়ে৷
ফুল আর
ফোটে না তখন৷
একটা সময় আসে
পত্র-শূন্য ডালপালা তার
আকাশের দিকে মুখ তুলে
একান্ত চেয়ে থাকে৷
আপাত ভাবে মনে হয়
ফুল ফোটানোর পালা বুঝি তার
সাঙ্গ হয়ে গেছে
চিরতরে৷
তা তো সত্য নয়৷ সে তখন
ব্রতী হয় সুপ্ত নীরব সাধনা তে৷
সে পথ পরিক্রমা
শেষ হলে
পত্র পুষ্প নিয়ে শাখা ও প্রশাখা তার
ফিরে উঠবেই সেজে৷
কাজেই—
আপাতত মশগুল থাকা চাই
সেই ভাবনা তে৷
পূর্ণ আনন্দ পেতে হলে
ঝরে পড়া ফুল গুলি
সাজিয়ে রাখা চাই
সযতনে
নিভৃত বেদনা-ডালি তে৷!
—oooXXooo—

![]()







