প্রাণময় নীল গ্রহ
স্বপ্না নাথ
ঠাকুরের রেকাবিতে পিঁপড়ে ভরা একটি নকুল দানা,
ঠিক যেন পৃথিবীর মতো,
কোটি কোটি প্রাণী কুল, নিজ নিজ অনুকূলে,
করে চলে ক্ষতবিক্ষত!
এখানেই জনম, এখানেই মরণ,
শত অন্বেষণেও মেলেনি ধরার দোসর,
দর্শন বলে, আছে,
এ নরদেহ কখনো যাবে কি তার কাছে?
এখনো আকর, এ ধরাই শুধু ধারনের আকর!
শব দেহ প’রে নারী ভুঁড়ি ছেড়ে ওই গৃধ,
খুঁবলে নেওয়া চক্ষু কোটরে জমাট অন্ধকার,
প্রকৃতি বিদের সতর্ক বার বার,
এক চক্ষু হরিণের মতো, শত সহস্র তবুও বিবর!
ছিপখোলা বোতলের দৈত্য,
দাপাদাপি যত্র তত্র,
চোখ মেলে ঘনঘন, ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি,
ক্ষণে ক্ষণে সুনামির উল্লাস,
নব নব কলেবরে কত মহামারী!
অরণ্য নিভু নিভু, বাতাসে বিষের ধূলিকণা,
ফুসফুসে হাঁপরের টান,
আদরের প্রজন্মের, স্বরচিত নরক দর্শন!
বৃক্ষ, সে কি আছে ব্রহ্মাণ্ডের অন্য কোনখানে?
আছে কি বাতাস, জল,
ফুল, ফল, পাখিদের কুজন?
আছে কি কোন গ্রহ ভরা প্রাণে প্রাণে?
এ ধরার স্বর্গ ছেড়ে অলিক অন্বেষনে,
আমরা খুঁজে ফিরি পরকালের লোভে,
অচেতনে, অবিজ্ঞানে, মূর্খের মতো মনে মনে।
যেথায় জন্ম, যেথায় বৃদ্ধি, যেথায় জীবন-যাপন,
সে সুনীলে এত অবহেলা, এত আবিলতা,
বুঝেও বুঝিনা, এইতো মোদের,
‘একমেবাদ্বিতীয়ম’ ধন।
—oooXXooo—
![]()







