অবক্ষয়
স্বপ্না নাথ
কিতাব থেকে শত দূরে,
স্বরচিত মূর্খের স্বর্গে,
অলীক স্বপ্নের পসরা সাজিয়ে,
মাথামোটা ইচ্ছেরা,
একদা বিবর থেকে ফণা তোলে।
মাছের তেলে মাছ ভেজে,
তৃপ্তির উৎগার তুলে,
মাদুরের শয্যা থেকে,
নধর অবয়বে, পালঙ্কে ওঠে।
ইচ্ছেরা মাঝেমাঝে,
মাছের রক্তে স্নান করে,
শরীরে মাংস থাকা বড় অনুচিত,
মাছের কাঁটারা নিষ্কৃতি পেতে,
কবরের শীতলতায় শান্তির পথ খোঁজে।
পোষা বিড়াল গুলো,
আঁশ গন্ধে ছোক ছোক করে,
ছুড়ে দেওয়া এটো কাঁটা র প্রসাদ পেয়ে,
উদর পূর্তির লালসায়,
ইচ্ছেদের পদলেহন করে।
সোজা মেরুদন্ড, এখন ইতিহাস।
আশ্বাসের মরীচিকার লোভের ডোবায়,
বেঁকে,চুরে, ভাঙ্গা কলেবরে,
শ্রী মন্ডিত ভিক্ষার বাটি হাতে,
ওই চলে ভিখারির মিছিল।
নরকের দ্বার থেকে,
পচা সমাজের দুর্গন্ধের আবিল বাতাস,
ভরে যায় চরাচরের আনাচে-কানাচে।
মাথামোটা ইচ্ছেরা,
তাদের হৃদয় জঠরে ভরে উল্লাসে নাচে!
মান আর হুঁষ নিয়ে,
মানুষের সন্ধি বিচ্ছেদ,
ব্যাকরণের কোথাও শব্দ টা আর খুঁজে পাওয়া যাবেনা,
স্বরচিত পুস্তকে বাংলা ভাষার অবক্ষয়ের ক্রন্দন,
হয়ে উঠবে উত্তর পুরুষের ভবিষ্যতের ভাষা।
অতীতের সেই সুবর্ণ সময়ে যারা জন্মেছে,
যারা কনক প্রভায় উদ্ভাসিত হয়েছে,
তারা আজ ঘোলাটে চোখে,
বিবর্ণ সময়কে ঝাপসা দেখতে দেখতে,
মৃত্যুর প্রহর গুনছে, অ -প্রতিবাদের অন্তর্দাহে।
—oooXXooo—
![]()







