বিজনে একাকী
শ্রী নীলকান্ত মণি
শরৎ শেফালি চুপে
রাতে উঠে ছিলো ফুটে;
ঊষা লগ্নে কোন সে প্রভাতের
আলো নিয়ে বুকে পড়ে ছিলো ঝরে
সে খবর তার
কে আর বলো রাখে৷
কোন সে মায়া ভরে
শ্যামলা ধরণী
দিয়ে ছিলো পেতে
সুকোমল বক্ষ টি তার
সযতনে দিয়ে ছিলো ঢেকে
উৎস বেদনার
জানি না তাহা ও৷
রবি কর পরম স্নেহ ভরে
হিমেল সে দুঃখ তীরে
উষ্ণতা পরশ কিছু হয়তো বা
অজান্তে-ই পৌঁছে দিয়ে ছিলো৷
নিঃশব্দ চরণ ফেলে সে কি আবার
ফিরে এলো৷
ম্রিয়মান ব্যাকুল হেমন্ত দিন শেষে
জ্বালাই আকাশ দীপ ফিরে
কার উদ্দেশে৷
বক্ষ ভরা দীর্ঘ শ্বাস সন্তর্পণে
ওঠে আর পড়ে৷
দিনান্তে আলো ডুবে গেলে
গবাক্ষ পথ ধরে দু’ নয়ন
দিগন্তে রয় চেয়ে
যেথা আনন্দ ও বেদনার সমন্বয় ঘটে৷
চিত্রার্পিত স্থির দৃষ্টি
নীরবে বৃষ্টি ঝরায় যেন কোথা
আকুল ধারায়৷
নয়ন তারায় ওষ্ঠ বিস্তারে আনন উদ্ভাসে
যেন চুপি সাড়ে তারা কথা কয়
সান্ধ্য আঙিনায়৷
মন বলে যেন তারে দেখেছি কোথায়৷
সময়ের স্রোতে যে গেছে ভেসে একদিন
বলতে পারো এমন নিবিড় করে
স্মৃতি তারে কেন ধরে রাখে৷
সে সাগর নীর বিস্তৃতির
গভীর আবেশ নিয়ে কেন ভালোবেসে
রয় তারে ঘিরে৷
ভাবনার অপেক্ষা আকাশ
ভরে ক্রমন্বয়ে সেই সীমা তার৷
নির্জন প্রকৃতি আকুলিত আঁখি পাতি
সে সোহাগ হেরে৷
—oooXXooo—
![]()







