উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শ্রীমতী মমতাবালা ঠাকুর, বনগাঁর মহকুমাশাসক শ্রীমতী উর্মি দে বিশ্বাস, বনগাঁ পৌরসভার পৌরপ্রধান শ্রী গোপাল শেঠ এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের যুগ্ম-তথ্য অধিকর্তা শ্রীমতী লিপিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের আধিকারিক শ্রীপল্লব পাল -সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে পাঁচ মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়ে আসা হয়েছে অভিনব কুটিরশিল্প, হস্তশিল্প এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি নানা ধরনের সামগ্রী। এই মিলনমেলায় প্রায় ২০০-এর বেশি স্টল রয়েছে, যেখানে স্থানীয় কারিগরদের হাতের তৈরি অসাধারণ জিনিসপত্র প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- ১০-এর বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর স্টল: যেখানে তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও খাদ্যসামগ্রী প্রদর্শিত হচ্ছে।
- ৫০-এর বেশি কুটিরশিল্পের স্টল: যেখানে মাটির পুতুল, বাঁশের তৈরি সামগ্রী, হাতে বোনা শাড়ি এবং বিভিন্ন ধরনের গহনা পাওয়া যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হলো “উন্নয়নের পথে মানুষের সাথে” শীর্ষক একটি প্রদর্শনী, যেখানে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘স্বাস্থ্যসাথী’, ‘কৃষকবন্ধু’ এবং ‘রূপশ্রী’-এর মতো প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য গ্রাফ এবং পরিসংখ্যানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জানা গেছে, শুধুমাত্র বনগাঁ মহকুমাতেই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অধীনে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলা উপকৃত হয়েছেন।
উৎসবের প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথম দিনে জেলাস্তরের প্রতিভাবান শিল্পীদের পাশাপাশি বাংলার প্রখ্যাত শিল্পীরাও মঞ্চ আলোকিত করেছেন। আগামী দুই দিন লোকশিল্পীদের ব্যতিক্রমী পরিবেশনাও মুগ্ধ করবে দর্শকদের। সব মিলিয়ে, এই তিন দিনের মিলনমেলা একদিকে যেমন বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরছে, তেমনই সাধারণ মানুষের জীবনে সরকারের ইতিবাচক প্রভাবকে প্রতিফলিত করছে।
#বাংলা_মোদের_গর্ব #বনগাঁ_উৎসব #পশ্চিমবঙ্গ_সরকার #বাংলার_সংস্কৃতি #উন্নয়নের_পথে_বাংলা #বাংলার_হস্তশিল্প #বনগাঁ_মহকুমা_প্রশাসন #লক্ষ্মীর_ভান্ডার #বাংলার_ঐতিহ্য
#BanglaModerGorbo #BongaonFestival #WestBengalGovernment #BengalCulture #DevelopmentOfBengal #BengalHandicrafts #BongaonAdministration #LakshmirBhandar #BengalHeritage
![]()






