কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশির এক পোস্টের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই অর্জনকে “আত্মনির্ভরতার দিকে আরও একটি মাইলফলক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটি ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা এবং পরিচ্ছন্ন শক্তিকে জনপ্রিয় করার প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। এই সাফল্য ভারতকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জনে বিশেষভাবে সাহায্য করবে।
গত কয়েক বছরে, ভারতে সৌরশক্তির উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে এই ক্ষমতা ছিল মাত্র ২ গিগাওয়াট, সেখানে এখন তা ১০০ গিগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এই ব্যাপক বৃদ্ধি দেশের সৌর প্যানেল উৎপাদন শিল্পকে এক শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। এর ফলে, ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সৌরশক্তি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। বিশেষ করে রুফটপ সৌর প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রেও ভারত ব্যাপক অগ্রগতি করেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সৌরশক্তি ব্যবহারে উৎসাহ বাড়াচ্ছে।
এই সাফল্য কেবল উৎপাদন ক্ষমতার বৃদ্ধি নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভারতের অঙ্গীকারকেও তুলে ধরে। নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে ভারতের এই অগ্রগতি একদিকে যেমন বৈদেশিক শক্তির উপর নির্ভরতা কমাচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকার বিভিন্ন নীতি ও প্রণোদনার মাধ্যমে এই খাতকে আরও উৎসাহিত করছে, যার ফলে আগামী বছরগুলোতেও এই খাতে ব্যাপক বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত যে গতিতে সৌরশক্তির দিকে এগিয়ে চলেছে, তাতে এটি স্পষ্ট যে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কেবল স্বপ্ন নয়, বরং এক বাস্তব সম্ভাবনা।
![]()






