(রাজস্থানের একটা সুবিশাল আমগাছকে সম্পুর্ন অক্ষত রেখে, একটি ত্রিতল ভবন বানিয়েছেন জনৈক সুদক্ষ ইঞ্জিনিয়ার। সেই ভবনের ভিডিও ভাইরাল হয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরছে। ঠিক তেমনি একটি তেঁতুল গাছকে পুরোপুরি অক্ষত রেখে আশেপাশে কতো ভবন উঠেছে, কিন্তু সেগাছের একটি ডালও কাটা হয়নি। সে গাছ আছে বাদুতে। মধ্যমগ্রাম চৌমাথা থেকে বাদু যেতে সেই প্রাচীন তেঁঁতুল গাছ আজও সবার চোখে পড়বে। এমন একটি বিশাল অশ্বত্থের গাছ দেখেছি, অন্ধ্রপ্রদেশ বিজয়বাড়া জংশনে নেবে। একটি অশ্বত্থ গাছকে ঘিরে গড়ে সুবিশাল মন্দির। কিন্তু সেই অশ্বত্থ গাছের একটি ডালও কাটা হয়নি। এবার বাদুতে দেখা সুপ্রাচীন সেই তেঁতুল গাছকে নিয়ে লেখা আমার একটি কবিতা!)
প্রাচীণ তেঁতুল গাছ
-প্রেমাঙ্কুর মালাকার
বাদুতে গিয়েছি, সবাইকে বলি,
আশপাশ দেখি ঘুরে –
সাতজনে দেখি, তেঁতুলের গাছ,
বেরোয় দেয়াল ফুঁড়ে।
শতায়ু প্রাচীন, তেঁতুল গাছের,
কেউতো কাটেনা শাখা –
দালান গেঁথেছে, দেয়াল ফুঁড়েই,
শাখা গেছে আঁকাবাঁকা।
একজন বলে, এই গাছে আছে,
দেবতার ঠাঁই তিন;
‘মনসা’ আছেন,সঙ্গে আছেন,
‘পীর’ আর এক ‘জিন’!
তাই এই গাছ, সকলেই ভাবে,
জীবন্ত ভগবান –
সকলের প্রিয়, এ তেঁতুল গাছ,
হিন্দু মুসলমান!
ঝুনুকে বলেছি, তুলে নাও ছবি,
কোথাও দেখিনি আগে –
দেয়াল ফুঁড়েই, তেতুলের শাখা,
দেখে বিস্ময় জাগে!
পাশের বাড়িতে, লতানে গাছটা,
দেখি উঠে গেছে ছাদে ;
শুকনো লতায়, সবুজের আভা,
গোড়া তারজালে বাঁধে।
—ooXXoo—
![]()







