বিকাল পাঁচটা বারিদ বরণ প্রতিদিন বিকেল পাঁচটা বাজলেই রমেনবাবুর বাড়ির রান্নাঘর থেকে চায়ের গন্ধ বেরোত।পাড়ার সবাই জানত—এটাই তাদের ঘড়ি। পাঁচটা মানেই দু’কাপ চা।এক কাপ রমেনবাবুর জন্য।আর এক কাপ তাঁর স্ত্রী মাধবীর জন্য। বিয়ের পর পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে এই নিয়মের কোনোদিন ব্যতিক্রম হয়নি। মাধবী চা বানাতেন, রমেনবাবু বারান্দার চেয়ারে বসে খবরের
যদি কিছু মনে না করেন… তাহলে বলি…… *ডিজিটাল গুরু ও অ্যানালগ সন্ন্যাসী* — নবকুমার চক্রবর্ত্তী (নবু) আজকাল বাজারে আর এক নতুন প্রজাতির অবতারের আবির্ভাব ঘটেছে। এঁদের বলা যেতে পারে ‘সবজান্তা গাইড’। এঁরা নিজেরা হয়তো জীবনে কখনও একটা ভাঙা প্লাগও জুড়ে জোড়াতালি দিতে পারেননি, কিন্তু বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির জটিলতম গোলকধাঁধায় এঁদের
সমুদ্র বিকেলের কাব্য (নবম পর্ব) …………………………. শ্যামাপ্রসাদ সরকার নবম পর্ব সমুদ্ররা সেদিন যে রাজনৈতিক দাবানলে পতঙ্গের মত ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সময়ের স্থিতাবস্থা আর জেল থেকে বেরোবার পর সবকিছুর রাতারাতি ভোল বদলে যাওয়ার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ওর বেশ কিছু বছর সময় লেগেছিল। ছাড়া পেয়ে বাড়িতে গিয়ে বাবার সামনে প্রথমবার দাঁড়ায়
ছোট বেলার বান্ধবী বাসুদেব দাশ ============== আরোহী জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় বসে কিন্তু ওর রাঙ্ক চল্লিশ হাজারের বেশি হয়ে যাওয়ায় ও হুগলীর একটা টেকনিক্যাল কলেজে, হুগলি একাডেমি অফ টেকনিক্যাল ইস্টিটিউটে ভর্তি হয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ। ওর ধারণা ছিল যে স্কুল পেরিয়ে কলেজে এসেছে এবার হয়তো প্রেম করার জন্য একটা পছন্দ সই
-: দু’টি দৃশ্য :- শুভ্র প্রথম দৃশ্য : সন্ধ্যার আঁধারটা তখন আস্তে আস্তে ভারী হচ্ছিলো।ফুটপাথে ছেলেটি দাঁড়িয়েছিল। নিয়ন আলোর বদলে এখন সাদা বাল্ব ল্যাম্পপোস্টগুলোতে। হালকা আলোয় কিছুটা অন্ধকার ফর্সা হয়েছে। ছেলেটি উদাস মনে হাঁটতে থাকে। তার সামনে দিয়ে এক জুটি চলে যাচ্ছে। নতুন ভালোবাসা সম্ভবত। মেয়েটি ছেলেটির হাত ধরে আছে।





