সংবাদ প্রতিবেদন, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে কার্যত ভূমিকম্প। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এবং কমিশনের স্ক্রুটিনিতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেল লক্ষ লক্ষ নাম। গতকাল রাতে কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় যে সংখ্যা সামনে এসেছে, তা দেখে ঘুম উড়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর। বিশেষ করে শাসক শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও স্পষ্ট।
বিশেষ প্রতিবেদন: আধুনিক সভ্যতার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘প্লাস্টিক’। বর্তমানে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি স্তরে প্লাস্টিক এমনভাবে মিশে গেছে যে, একে বাদ দিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এই সুবিধাই এখন প্রাণঘাতী হয়ে দেখা দিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় (২০২৪-২৫) উঠে এসেছে শিউরে ওঠার মতো কিছু পরিসংখ্যান। প্লাস্টিক আতঙ্ক: উৎপাদন বৃদ্ধি: ১৯৫০
সংবাদ প্রতিবেদন: বাংলার উষ্ণতার পারদ এখন ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসের থেকেও যেন বেশি তপ্ত রাজ্যের রাজনৈতিক ময়দান। আর এই উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি শব্দ— ‘সেটিং’। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বছরের ৩৬৫ দিনই এই তত্ত্বটি ঘুরেফিরে আসে। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির মধ্যে পর্দার
বিশেষ প্রতিবেদন: একসময় যা ছিল নিছকই ত্যাজ্য বা আবর্জনা, আজ তা-ই হয়ে উঠেছে ‘অর্গানিক গোল্ড’ বা জৈব সোনা। বিশ্বজুড়ে যখন জলবায়ু পরিবর্তন এবং রাসায়নিক সারের কুপ্রভাব নিয়ে দুশ্চিন্তা তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভারতকে পথ দেখাচ্ছে তার প্রাচীন ঐতিহ্য। ভারতের ‘জিরো কাউ-ওয়েস্ট ইকোনমি’ (Zero-Cow Waste Economy) বা গো-ভিত্তিক অর্থনীতি আজ আর কোনো
বিশেষ প্রতিবেদন: ভারতের পরিবেশ দূষণের দুই প্রধান ভিলেন এখন আবাসন শিল্পের রক্ষাকর্তা। একদিকে ফসলের অবশিষ্টাংশ বা ‘পরালি’ পোড়ানোর ধোঁয়া, আর অন্যদিকে প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ—এই দুই অভিশাপকে আশীর্বাদে বদলে দিয়েছেন আইআইটি যোধপুরের (IIT Jodhpur) বিজ্ঞানীরা। তারা তৈরি করেছেন এমন এক ‘কার্বন-নেগেটিভ’ (Carbon-Negative) ইট, যা কেবল সস্তা নয়, পরিবেশবান্ধবও বটে। সমস্যার পাহাড়





