রবিঠাকুর কাকলি ঘোষ রবিঠাকুরের সাথে পরিচয় সেই কোন ছোটবেলায়।তখন ও সহজ পাঠের গণ্ডি পেরোই নি। বুঝতাম কিছু বলে মনে হয় না। শুধু এক অদ্ভুত ভালোলাগায় মন ভরে থাকত। কেবলই মনে হোত আরো পড়ি। আবার পড়ি। মা বলতেন ” মন দিয়ে পড়। তবে বড় হলে রবিঠাকুরের অনেক কবিতা পড়তে পারবে।” ”
তোমাতে আমার ঠিকানা (পর্ব চতুর্থ) বারিত বরণ রিকশাটা থামে রামানন্দ কলেজের মূল গেটের সামনে। সুচরিতা ধীরে নেমে পড়ে। ব্যাগটা সামলে নেয়, চোখ তুলে দেখে— “রামানন্দ কলেজ (স্থাপিত ১৯৪৮)” একটা পুরনো বিল্ডিং, লাল ইট, উঁচু গেট, আর মাথার ওপর নীল আকাশ যেন বলে— “তুমি ঠিক জায়গায় এসেছো।” কলেজ চত্বরের মধ্যে
হৃদয়হীনা শ্যামাপ্রসাদ সরকার এতটাও নিস্পৃহ হতে পারে কোন মানুষ ! আই সি সিউর বেডে শুয়ে শুয়ে ভাবছিল দীপ্ত। মোটামুটি জানাশোনা, আত্মীয়স্বজন যাদের আসা সম্ভব,গত সাতদিনে অন্ততঃ একবার এসে তারা দেখে গেছে নয় ফোন করেছে। আজকালকার নার্সিংহোমগুলো ফোন রাখতে দেয়। কিন্তু হাতে চ্যানেলের সূচবিদ্ধ অবস্থায় ফোনটা নাড়াচাড়া করাটা মোটেই খুব
শ্রাবণ ও রবীন্দ্রনাথ সুপর্ণা দত্ত “শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে”– গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজায় তোমায় মনে পড়ে। দিন-মাস-বছরের চিরাচরিত আনাগোনা, তোমার ভাষায় তাদের যেন নিত্য নতুন জানাশোনা। বঙ্গাব্দের চতুর্থ মাস আর শকাব্দের পঞ্চম মাস, তোমার গানেই সবার মনে থাকে বারোমাস। পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থন ঘটেছিল এই শ্রাবণেই, মনস্কামনা পূর্ণ হয়
রবি সে বিশ্বকবি শ্রী নীলকান্ত মণি ভগবান বলে কিছু কি আছে!? এই নিয়ে মন নিত্য দিন সংশয়ে ভোগে! তবে বাঙালী মননে আছে এমনও একজন যার উপস্থিতি সংশয়াতীত ভাবে সদা প্রত্যক্ষ অনুভবে রয় দেখি জেগে! কোন ভেঙ্গে পড়া মন কারেও পায় না যবে কাছে ঋজু দৃষ্টি মেলে পথ হাঁটা তার সহজ





