লুকায় জখম / সুমাল্য মৈত্র / বাংলা কবিতা /
লুকায় জখম সুমাল্য মৈত্র বিষন্ন রাতের মত তারা ফুটে ওঠে যারা বিষন্ন কোথায় থাকে যদি মনে পড়ে সব রোদ ঢুকে ঘরের ভেতরে। কে কার ডাকে সাড়া দেয় অথবা কখন প্রতিটা মানুষই আসলে লুকায় জখম। —oooXXooo—
![]()
লুকায় জখম সুমাল্য মৈত্র বিষন্ন রাতের মত তারা ফুটে ওঠে যারা বিষন্ন কোথায় থাকে যদি মনে পড়ে সব রোদ ঢুকে ঘরের ভেতরে। কে কার ডাকে সাড়া দেয় অথবা কখন প্রতিটা মানুষই আসলে লুকায় জখম। —oooXXooo—
![]()
জীবন মরণ মেলায় তপন কর্মকার এ শহর মজার শহর, ভরকি দিয়ে নাচায়, স্বপ্ন গুলি কাঁচের হাসি, মানুষ গুলি খাঁচায়।। তোমার কাছে বই পাবো ধার, আজকে আমায় দেবে? হার জিতে কম হলে তোমার, শার্ট পরে শোধ নেবে। যেন বাতাস মেপে চলতে হবে, জীবনটা এক দাবায়।। জল কলে নেই ঝগড়াজাটি, তালা চাবির খেলায়! নয় তো সবাই কেউটে…
![]()
একুশে ফেব্রুয়ারি অরবিন্দ নাহা সৃষ্টির পলি জমবে সোনালী ফসল ফলবে মানুষ গান গাইবে তাদের কথা স্মরণ করে যাদের রক্তের রঙের কাছে টকটকে সূর্যটাও হবে ম্লান তুমি “অমর একুশে ফেব্রুয়ারি “ শীতের দুপুরের রোদ্দুরের মত মিষ্টি শরতের মেঘের মতো স্বপ্নময় মসজিদের আজানের মত সুরেলা মন্দিরের চরনামৃতের মত পবিত্র বিজয়া দশমীর সন্ধ্যার মত বিষন্ন তুমি”আমার একুশে ফেব্রুয়ারি”…
![]()
“আলেয়া” স্বামী অসিমানন্দ গিরি দুই ধারার মিলন, আমার সৃজন। আলো হতে আঁধারে অথবা আঁধার হতে আলোতে পতন।। শুনে ক্রন্দন, আনন্দ উল্লাস করে অজ্ঞাত জন। ধীরে ধীরে পরিচয়, ভ্রাতা-ভগ্নী জনক-জননী মোর আপন।। কত স্নেহ ভালোবাসা না চাহিতে হয়েছে বরিষণ। অন্যায্য দাবি মোর, সকলের প্রয়াসে হয়েছে পূরণ।। কত স্বপ্ন হলো আরোপিত, কতক আপনি সৃজন। ভাবনার আকাশে, ডানা…
![]()
শ্রদ্ধা নিবেদন সুপর্ণা দত্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই শ্রদ্ধা করি যাকে আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি তাই আমার দিদিমাকে। কর্মসূত্রে বাবা থাকতেন দেশের বাইরে মা আমাদের ব্যস্ত থাকতেন কর্মে ঘরে-বাইরে। দুরন্ত দুই মেয়ে সামলাতে একা কি আর পারেন! সঙ্গী হয়ে দিদিমা আমাদের ঘরেই থেকে গেলেন, অপূর্ব তার হাতের রান্না স্বাদে ও সুবাসে মনটা মুগ্ধ হত পিঠে-পুলি-পায়েসে। স্কুল পথে যাতায়াতে ভারি…
![]()