১২ বছরের ডেডলাইন! ২০৩৭ সালের মধ্যে কি সলিল সমাধি হবে তিলোত্তমা কলকাতার? বাঙালি বিজ্ঞানী সজীব করের ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎবাণী ও আন্তর্জাতিক সমীক্ষার উদ্বেগজনক সমীক্ষা

বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদন, নিউজ ব্যুরো আমার আলো, রঞ্জিত চক্রবর্ত্তী: একদিকে বিশ্ব উষ্ণায়নের ভয়ংকর থাবা, অন্যদিকে অপরিকল্পিত নির্মাণ ও ভূগর্ভস্থ জলের যথেচ্ছ ব্যবহার— এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ হয়ে আগামী ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের গভীরে তলিয়ে যেতে পারে আমাদের প্রিয় শহর কলকাতা। এমনই এক ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা শোনালেন বিশিষ্ট ভূতত্ত্ববিদ ডঃ সজীব কর। তাঁর গবেষণালব্ধ…

Loading

সর্বনাশ! দুধ ও পনিরেও ঘাপটি মেরে ঘাতক ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’! পরিসংখ্যান জানলে আঁতকে উঠবেন আপনিও

দুধ-চিজ়েও ঘাতক প্লাস্টিক – স্বাস্থ্য-সুরক্ষায় চরম সতর্কতা সংবাদ প্রতিবেদন: ১৫ অক্টোবর, ২০২৫: সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে স্বাস্থ্য-সচেতন মানুষের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য খাদ্য দুগ্ধজাত পণ্য—দুধ ও চিজ়েও এবার সন্ধান মিলেছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা, যা ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ (Microplastic) নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, এই কণাগুলি নীরবে আমাদের স্বাস্থ্যের…

Loading

২০৩৭ সালের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের নিচে চলে যাবে কলকাতা! ভয়ঙ্কর সতর্কতা দিলেন ভূতত্ত্ববিদ—বহুতল, মেট্রো ও ভূগর্ভস্থ জলই কি তিলোত্তমার মৃত্যুর কারণ?

বিপর্যয়ের মুখে কলকাতা – বিশদ ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ একটি অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ভূতত্ত্ববিদ ডক্টর সুজীব কর কলকাতার ভবিষ্যৎ নিয়ে এক চরম আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন। তাঁর গবেষণা অনুযায়ী, কলকাতা শহর বর্তমানে এমন এক ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে যে, ২০৩৭ সাল (বা খুব বেশি হলে ২০৪০ সাল)-এর মধ্যে বঙ্গোপসাগর এই মহানগরীকে গ্রাস করে নিতে পারে। এই ভয়ানক পরিণতির পেছনে রয়েছে…

Loading

হরিদাসের দৃষ্টি চিত্রশিল্পী / তপন কর্মকার / বাংলা ছোট গল্প /

হরিদাসের দৃষ্টি চিত্রশিল্পী তপন কর্মকার একজন গ্রাম্য মানুষ—হরিদাস। চাষাভুষো, দিনমজুর, লেখাপড়া কম; কিন্তু তার চোখে পৃথিবী ধরা দেয় অন্যভাবে। সে জল, মাটি, আকাশের মতো সাধারণ জিনিসে খুঁজে পায় জীবনের শিক্ষা। আবার শহরের রাজনীতি, ভোগবাদী দুনিয়া, ধর্মের ভণ্ডামি দেখে সে ব্যঙ্গ করে। গ্রামবাসীরা ভাবে—হরিদাস পাগল! কিন্তু সত্যি বলতে—হরিদাস আসলে এক আয়না, যেখানে সমাজ নিজের বিকৃত মুখ…

Loading

‘জলই জীবন, মাটিই অস্তিত্ব’ – জলাধার প্রকল্পের সফলতায় উন্নত ভারতের পথে অগ্রগামী দেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা: জল ও মাটি সংরক্ষণ করে কৃষি ও কৃষকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঞ্চাই যোজনা’-এর আওতায় ‘জলবিভাজিকা উন্নয়ন উপাদান (WDC-PMKSY)’ প্রকল্পটি কেবল একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং এটি জনসাধারণের অংশগ্রহণে পরিচালিত এক গণআন্দোলন, যা দেশের খরা-প্রবণ ও বৃষ্টি-নির্ভর অঞ্চলগুলোর কৃষকদের জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। কেন্দ্রীয়…

Loading