ধূসর কলকাতা / প্রেমাঙ্কুর মালাকার / বাংলা পরিবেশ কবিতা /

ধূসর কলকাতা প্রেমাঙ্কুর মালাকার শতক শেষে, দেখবে এসে; ধোঁয়ায় ধূসর কলকাতা। মুখোশ এঁটে, যাচ্ছে হেঁটে ; মানুষ, সাবাড়,গাছপাতা। উঠছে বাড়ি আকাশ ছাড়ি, হচ্ছে আকাশ রোজ চুরি; নেইরে পাখি! নেই জোনাকি! আঁধার রাতের ফুলঝুরি। যাচ্ছে গাড়ি ধোঁয়ায় ভারী! হচ্ছে মরণ ফাঁদ পাতা; কাদের পাপে,ধোঁয়ার চাপে, ডুবছে সাধের কলকাতা? —oooXXooo—

Loading

প্রতিদিন হোক পরিবেশ দিবস / সুপর্ণা দত্ত / বাংলা কবিতা /

প্রতিদিন হোক পরিবেশ দিবস সুপর্ণা দত্ত   পরিবেশ ছিল একদা বিশ্বে সুনীল আকাশের নীচে শ্যাম বনানী, শীতল জল,পাহাড় বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে, আর ছিল পশুদের নিশ্চিন্ত বাসস্থান, পাখিদের কলরব ছিল বিশুদ্ধ মুক্ত বাতাস আর খোলা মাঠ-ঘাট। আজ সূর্যের প্রখর তাপদাহে যেন ঝলসে যাচ্ছে এই বিশ্ব, প্রচন্ড গরমে বৃষ্টির জল যেন আজ হয়েছে নিঃস্ব, প্রকৃতির এরূপ ভয়াবহতা…

Loading

স্বপ্নের ফেরিওয়ালা / নবু / বাংলা কবিতা / বর্ষবরণ সংখ্যা /

স্বপ্নের ফেরিওয়ালা নবু আমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, ঘুরে বেড়াই দেশ-বিদেশ। ফুটপাতের পরে, যেখানে ঘর বেঁধেছে অন্ধকার, সেখানেও ছড়াই স্বপ্নের আলোকার। ঝুপড়ির ছাউনিতে, ভেঙে পড়া দেয়ালে, আমার স্বপ্নের ডাক শোনে সবাই। শিশুদের চোখে জ্বলে আশার আলো, যখন বেচি তাদের রঙিন স্বপ্নের পসরা। একদিন এমন এক ছেলের সাথে দেখা, ফুটপাতের ধুলোয় মাখামাখি তার দেহ। ক্ষুধার্ত চোখে তাকিয়ে আমার…

Loading

আলোর উৎসব / সুপর্ণা দত্ত / বাংলা কবিতা /

আলোর উৎসব সুপর্ণা দত্ত কালী পুজোর রাতটা ঘন আন্ধকারে ঢাকা, মাটি দিয়ে একশো পিদিম তৈরি করে রাখা। সারাটা দিন বায়না করে কান্না দিল জুড়ে, খোকাবাবু বাবার কাছে বাজি কেনবার তরে। কালীপটকা, দোদোমা আর চকলেট বাজি চাই, রকেট বাজি, আলুবোম আর চটপটি কিনবে ভাই। শুনেই বাবা বললো তাকে “খোকন তুমি শোনো, কোনো রকম শব্দ বাজি জ্বালাবে…

Loading

প্রায়শ্চিত্ত / রণজিৎ মন্ডল / বাংলা কবিতা /

প্রায়শ্চিত্ত রণজিৎ মন্ডল আর পারি না বেদনা সহিতে, অঝোরে ঝরিয়া মেঘেরা কয় এ আমাদের অনুনয় নয়, বিদ্রোহ হইয়া ঝরিয়া মাটিতে নিভাইবো আগুন পৃথিবীতে আজ, চাও যা তোমরা জ্বালিতে! আকাশে আকাশে যত মেঘ ভাসে, যাদের করুণায় পৃথিবী হাসে, জ্বলিছে পৃথিবী কার অভিলাষে জ্বালাইয়া পুড়াইয়া মারিতে! দেখিবো না আর ভাসিয়া থাকিয়া, আসিছে সময় তুফান হইয়া লালসার পাহাড়…

Loading