‘কালীর বেটা- রামপ্রসাদ’ – শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার   অষ্টাদশ শতাব্দীর ধর্ম ও মাতৃরসে জারিত এক উল্লেখযোগ্য কাব্যধারা হল শাক্তপদাবলী! কিন্তু এটি কোনও কাব্য সৃষ্টির স্বয়ম্ভু সাধনার হঠাৎ উদ্ভূত ফল এই পদগুচ্ছ নয়। মাতৃকাসাধনার একটা উৎপত্তিস্থল বঙ্গসমাজের চারপাশেই তখন ছিল এমনকি তা আজও রয়ে গেছে। সেই উৎসস্থল কেবল সমকালীন বা পূর্বাপর কবিদের
নদীপাড়ের মেছ ভূত সলিল চক্রবর্ত্তী উড়িষ্যার দেবীনদীটি জগৎসিংহপুর জেলার শল্য বেলপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়ে সমুদ্রে পড়েছে। সমুদ্রের জোয়ার ভাটার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক। জোয়ারের সময় সমুদ্রের নোনা জলের মাছ প্রচুর পরিমানে ঢুকে পড়ে দেবীনদীতে। ফলে নদী সংলগ্ন গ্রাম গুলোর মানুষেরা মূলত মৎস্যজীবী, এবং কৃষিজীবী । জোয়ারের জলে নদী
জীবনের জয়গান বারিত বরণ ঝড় এসেছিল — শরীরে নয় মনে, ভেঙে দিয়েছিল শান্তির নীড়। অন্ধকারটা এতই ঘন ছিল, নিজের ছায়াটাও হারিয়ে গেলো। মনে নেই কোনো অভিযোগ আছে শুধুই কৃতজ্ঞতা প্রতিটি আঘাতই শক্ত করে, ব্যাথাও এক ধরনের অভিজ্ঞতা। আজও শরীরে ক্ষতচিহ্নের দাগ, হৃদয়ে জমে পুঁজ রক্ত গলা । তবুও বুকে আগুন
চাঁদনী রাতের বাঁশিওয়ালা -সুবর্ণ রুদ্র ফুলবাগান বললে লোকে এককালে ফুল খুঁজে দেখত, এখন খুঁজে দেখে আবর্জনা। পুরোনো ইঁট, পলেস্তারা খসা দেওয়াল, আর এঁদো গলির গ্যাসলাইট—এই নিয়ে বস্তি। কিন্তু বস্তি তো শুধু ইঁট-পাথরের জট নয়, সে হলো মানুষের পেটের মধ্যেকার খিদে আর বুকের মধ্যেকার ভালোবাসা, দুটোই সেখানে সমান জোরে চিল্লায়। আর
সমীকরণ চিত্রশিল্পী তপন কর্মকার গ্রামের গলিপথে পাশাপাশি বড় হলো দুই বন্ধু—অরুণ আর জয়। দুজনের হাতে সমান সুযোগ, সমান অঙ্কের টাকা আসত বারবার, কিন্তু ব্যবহার ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানেই গড়ে উঠেছিল জীবনের অদৃশ্য সমীকরণ। একদিন মেলায় ফেরার পথে অরুণের হাতে পড়ল এক টাকা। রাস্তার ধারে বসে থাকা ভিখারিকে সে সেটা দিয়ে