পুনর্যাপন ………….. শ্যামাপ্রসাদ সরকার বড় রাস্তাটি যেখানে বাসস্ট্যান্ডের দিকে ঈষৎ পশ্চিমমুখী হয়, তাহারই এক প্রান্তে নন্দীকেশ্বর মহাদেবের একটি পুরাতন মন্দির ভয়াবহ জঙ্গলাকীর্ণ পরিবেশে ও তাহার প্রায় ভগ্ন অবয়বটি সহ দৃশ্যমান হইয়া থাকে। প্রত্যহ ইস্কুলের টিফিনের পর আধঘন্টা ছুটি উপলব্ধি হয় বলিয়া প্রায়সই আমি এই পথে আসিয়া পদচারণা করিয়া থাকি।
বুধিয়া ডাঃ রঞ্জন কুমার দে বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট একটা গ্রাম কেন্দুয়া, গ্রাম না বলে অবশ্য একে এক আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল বলা যেতে পারে। তথাকথিত মানব সভ্যতার ছোঁয়া আজও যে এদের উপর ঠিকমত প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি তা এখানকার মানুষগুলোর আদব কায়দা, আচার আচরণ, সরলতা, পোশাক আশাক দেখলেই অনুধাবন
আপন জন (পর্ব পঞ্চবিংশ) কাকলি ঘোষ “ ওই বুড়ো বাবু কোথায় গো ? আর গিন্নি মা ?” “ ওনারা এক তলায় থাকেন সিঁড়ি ওঠা নামা করতে অসুবিধে তো। তাই। ” কড়াইতে হিসেব মত মাপ জল দিতে দিতে উত্তর দেয় কল্পনা। “ এরা খুব বড় লোক ! তাই না কল্পনা দি
পথচলতি পরামর্শসমূহ নিলয় বরণ সোম না, আমি নকুড়বাবুর সেই পথনির্দেশ চাওয়ার ঘটনা জানতে চাইছি না। তার আগে, যারা জানেন না , অর্থাৎ , আনইনিশিয়েটেড, তাদের জন্য নকুড়বাবুর গল্পটা বলা দরকার। হয়েছিল কী , নকুড়বাবু তখন সদ্য মফস্বল থেকে এসেছেন , কলকাতার রাস্তাঘাট তেমন চেনেন না। ২১৮ নম্বর বসে করে অফিস
বাই সাইকেল সুপর্ণা দত্ত দ্বিচক্র বিশিষ্ট পায়ে চালানোর যান মনুষ্য সমাজে যা প্রিয় একটি বাহন, সাইকেল বলে তাকে জানেন সবাই দুটি চাকার দরুন আগে বসানো হয় বাই। ঊনিশ শতকে ইউরোপে সাইকেলের উদ্ভব বাংলার প্রতি ঘরের সাথে আছে সদ্ভাব, পরিবেশ বান্ধব বলে একে জানেন সর্বজনে ব্যবহার বাড়ছে এর নানান উপকারিতার কারণে।





