নমস্কার, শারদীয় শুভেচ্ছা! আশ্বিনের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে শরতের স্নিগ্ধতা—আকাশে শুভ্র মেঘের ভেলা, মাঠে কাশফুলের দোলা, আর বাতাসে শিউলির মিষ্টি গন্ধ। এই আবহে বাঙালির হৃদয়ে বেজে ওঠে উৎসবের সুর, যা কেবল আনন্দের নয়, মিলন ও স্মৃতিরও। উৎসবের এই সময়টাতে আমাদের মন যেন আরও বেশি করে খুলে যায়। ফেলে আসা দিনের
তোমাকে ভীষন ভালোবাসি ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় যে কদিন আর আছে হাতে গোনা কয়েকটা তো দিন আরও একটু ভালোবাসতে চাই। এতদিনের সব কথা গান হয়ে বলে যাক তোমাকে শুধুই ভালবাসি। গান শেষ হলেও সুরের শেষ নেই। হৃদয়ের অলিতে গলিতে থেকে যায় মায়া। হোক না নতুন কোনো গান সেখানেও সুর থেকে যাবে। কথা
ভেলায় ভাসা ষোড়শী সলিল চক্রবর্ত্তী তপন— সোমনাথ তুই ঈশ্বর বিশ্বাস করিস? সোমনাথ — ইয়েস। তপন — তাহলে তোর আত্মায় বিশ্বাস নেই কেন? সোমনাথ — আত্মা হল জীবিত মানুষের প্রাণ। মারা গেলে সব শেষ। প্রবীর — তাহলে জাতিশ্বর, জন্মজন্মান্তর এগুলো মিথ্যা বলছিস? সোমনাথ — সত্যি যে তার অকাট্য প্রমাণ আছে কি?
” আলেয়ার ওপারে “ ডাঃ রঞ্জন কুমার দে মফস্বল শহরের এক গলির ভাঙা টালির ঘরে সন্ধ্যা নেমেছে। বাইরে কচি আলোর ঝাঁপ, ভেতরে কেরোসিনের লন্ঠন টিমটিম করছে। ঘরের কোণে বসে আছে অভিষেক। টেবিলের ওপর খোলা খাম, ভেতরে সাদা কাগজ—সরকারি চাকরির পরীক্ষার ফলাফল। বড় বড় অক্ষরে লেখা “Not Selected.” অভিষেকের বুকটা কেঁপে
শুচিস্মিতা কাকলি ঘোষ একমনে প্রতিমার মুখের দিকে চেয়েছিলেন রাজেন তরফদার। কই ?! মায়ের মুখের সেই ভাবটি তো ফোটাতে পারেনি মধুসূদন ! অন্য সকলের চোখে ধরা না পড়লেও তার চোখ এড়িয়ে যেতে পারে নি। নাহ্ বংশীধর পালের হাতের সেই জাদু নেই তার ছেলের হাতে। ক্রোধদীপ্ত আয়ত নয়ন অথচ অধরে সুস্মিত হাসি।





