কলকাতা: আজ আরামবাগ থেকে এবার দমদম এয়ারপোর্টের কাছে হলদিরামের পাশে Space Circle Club এ আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি কর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির ওপর জোর দিয়েছেন, এবং তাদের একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন। মিঠুন চক্রবর্তী
অপয়া ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় শীতের রাত মানেই দীর্ঘ একটা সময়। এক মায়াবী আচ্ছন্নতা বিরাজ করে তখন। কম্বলের ভিতরে গা ঢুকিয়ে অন্ধকার ঘরে স্মৃতির পট ভেসে ওঠে। আমার জন্ম শৈশব যেখানে কেটেছে সেখানের নাড়ির টান আমাকে হাতছানি দেয়। আমার ঠাকুরদার ছিল জমিদারি আদবকায়দা।তার সাথে জমিদার সুলভ মেজাজ। আমার মনে হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ
তোমাতে আমার ঠিকানা (তৃতীয় পর্ব) বারিত বরণ ভোরের বৃষ্টিভেজা ঠাণ্ডা হাওয়ায় ভিজে, অভি আজ বাঁকুড়া থেকে বাস ধরে কলকাতার দিকে পা বাড়িয়েছিল—এক নতুন জীবনের খোঁজে। বাসের জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখছিল অপরিচিত পথ, অপরিচিত মুখ, আর কখনও কখনও নিজের ভেতরের ভাবনাগুলো। বহুদিনের স্বপ্ন আজ বাস্তব হলো—রামানন্দ কলেজে দর্শন অনার্স পড়বে সে।
মুতোর জবাব বাসুদেব চন্দ অঙ্কিতের তখন ক্লাস এইট। কঙ্কনার নাইন। দুজনেরই স্কুল এক, ‘বিদ্যাসাগর বিদ্যামন্দির’। ইংরেজি-বাংলার পাশাপাশি ভালোবাসাবাসিও চলছে জোর কদমে! বাড়ির লোকজন তখনও কিছু বুঝে উঠতে পারেনি। একদিন কঙ্কনার মা বললেন- -হ্যাঁ রে কিংকিন, অঙ্কিত ভালোবাসে বলে রোজ রোজ আমি আলুর পরোটাই বানাব, তাহলে তুই কী খাবি?” “ও নিয়ে
স্পর্শরেখা শ্যামাপ্রসাদ সরকার যতটা কাছে চলে আসি হরদম একটু স্পর্শ যেন মাতাল সময়ের মত যত ঘন করাঙ্গুল আর উষ্ণতম পৃথিবীর মত ছুঁয়ে যায় স্রোতের মত তীব্র ভালবাসার ঢেউ। এখন সময় হলে দূরে সরে যাও অক্লেশে দ্রাঘিমারেখার ভীড়ে ছড়িয়ে রাখ ভূগোলের অযথা বিস্তৃতি, প্রয়োজনের যা কিছু দরকারী ছিল আজও গুছিয়ে রেখে