বৃষ্টি নেমেছিল শ্যামাপ্রসাদ সরকার   মেঘ করে আছে হয়ত বৃষ্টি নামবে! আর কি দিয়েছে বৃষ্টি বল শস্যপূর্ণ মাটি, জলাশয়? তার চেয়েও বেশী দিয়েছে অনেক অযত্ন, অপমান, অবহেলা! সেবারে চুপ্পুস ভিজে কৈশোর, অনেকের কামনার আগুনে জ্বলতে জ্বলতে সব শেষে ধানক্ষেতের মাটিতে শুয়ে হাত উঁচিয়ে বলেছিল ‘আর না!’ ছাদের জল যখন টুপটাপ
তোমাতে আমার ঠিকানা (দ্বিতীয় পর্ব)  ডাঃ রঞ্জন কুমার দে (বারিত বরণ)   ।।সুচরিতার গল্প।।   কলকাতার ব্যস্ত শহরের এক প্রান্তে, যেখানে আকাশ ছোঁয়া বিল্ডিং আর চকচকে শপিং মল, সেখানেই পুরনো এক বাড়ি—সেন পরিবারের আদি বাসভবন। সাদা দেয়ালে রোদ ঝলমলে দুপুর, জানালায় গাছের ছায়া। চুন্নি-ফিটেড গাড়ি, মসৃণ মার্বেল পাথর, সিসিটিভি-জড়ানো নিরাপত্তার
ঘোড়ার ডিএনএ টেস্ট বাসুদেব চন্দ লাগামছাড়া একটা ঘোড়ার নাগাল পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার, সেখানে এটা তো আস্ত একটা উন্মাদ! দৌড় যখন শুরু করে তখন সামনে-পিছনে তাকায় না, সব ভেঙ্গেচুরে দিয়ে চলে যায়! ওর পিঠে যারা চেপেছিল, তাদের চানধান থেকে খাওয়া-দাওয়া, সবই এখন লাটে উঠেছে! সে-টা না-হয় মেনে নেওয়া গেল, কারণ ওর
আপন জন (পর্ব ছাব্বিশ) কাকলি ঘোষ একটু সময় নেয় অর্চনা। তারপর বলে। “ দ্যাখ আমার দুটো নারী কল্যান সমিতি আছে। সেখানে এই তোর মত মেয়েরা যাদের কেউ নেই বা ধর পরিবারের কেউ খবর রাখে না তারা হাতের কাজ শেখে। ব্যাগ তৈরি, পাপোশ তৈরি, আচার, বড়ি কাসুন্দি এসব বানানো। এসব জিনিস
হটাৎ বৃষ্টি নামলো ✍ অনিমেষ চ্যাটার্জি হটাৎ বৃষ্টি নামলো … ধুয়ে গেল ঘামের ফোঁটায় জমে থাকা অক্লান্ত পরিশ্রম … ধুয়ে গেল চোখের জলে মিশে থাকা সব দুঃখরাশি … ছাতার একান্ত আশ্রয়ে ধীর লয় প্রহর বোনে … আকাশ তখন আপন মনে মেঘ মল্লার ধরেছে … জগতের যত ভালোলাগা অঝোরে ঝরেছে, পিচ